কত রকমেরই তো পকোড়া, চপ, তেলেভাজা মুচমুচে খাবার খেয়েছেন, চালের পকোড়ো খেয়েছেন কখনও। ভাতপ্রেমী বাঙালির সবচেয়ে চেনা কমফের্ট ফুড যে দু’টি জিনিস ভাত আর আলুসেদ্ধ— এ খাবার তারই মুচমুচে অবতার। শুধু চাল আর আলু এখানে পাশাপাশি নয়, একসঙ্গে মিশে একযোগে হাজির হবে। আর তাদের সঙ্গ দেবে বাড়িতে বানানো টম্যাটোর টক-ঝাল-মিষ্টি চাটনি।
এ পকোড়া অন্য যে কোনও তেলেভাজার থেকে বেশি মুচমুচে হবে, সে ব্যাপারে গ্যারান্টি দেওয়া যায়। বিকেলের জলখাবারে চায়ের সঙ্গে এক বাটি এমন পকোড়া থাকলে জমাটি আড্ডার যোগ্য সঙ্গত হবে।
উপরণ: পকোড়ার জন্য—
১ কাপ ভেজানো চাল
২ টো মাঝারি আলুসেদ্ধ
১ টেবিল চামচ জিরে
৩-৪টে কাঁচালঙ্কাকুচি
এক মুঠো ধনেপাতাকুচি
১ চা চামচ চিলিফ্লেক্স
ভাজার জন্য তেল
চাটনির জন্য—
১ চা চামচ গোটা কালো সর্ষে
৬-৭টা রসুনের কোয়া
২টো শুকনো লঙ্কা
২ চা চামচ ছোলার ডাল
১০-১৫টা কারিপাতা
১টি মাঝারি মাপের পেঁয়াজ ডুমো করে কাটা
১টি বড় টম্যাটো টুকরো করে কাটা
নুন স্বাদ মতো
১ চা চামচ লাল লঙ্কাগুঁড়ো
২ চা চামচ তেল
আরও পড়ুন:
প্রণালী: ভেজানো চাল (যত বেশি ক্ষণ ভিজিয়ে রাখা যায় ততই ভাল অন্তত ঘণ্টাখানেক) মিক্সিতে মিহি করে বেটে নিন।
সেদ্ধ আলুর খোসা ছাড়িয়ে কয়েক টুকরোয় কেটে নিয়ে অল্প জল দিয়ে বেটে নিন।
চালবাটা এবং আলুর মিশ্রণটি একসঙ্গে ভাল ভাবে মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন। তার পরে ওর মধ্যে মেশান জিরে, লঙ্কা, ধনেপাতা এবং চিলিফ্লেক্স।
এ বার চাটনি বানিয়ে নিন। প্যানে তেল দিয়ে তাতে সর্ষে, রসুন, শুকনো লঙ্কা, ছোলার ডাল, কারিপাতা হালকা নেড়েচেড়ে সুগন্ধ বেরোলে দিয়ে দিন পেঁয়াজ আর টম্যাটো। ৩ মিনিট মতো মাঝারি আঁচে নাড়াচাড়া করুন। তার পরে কড়া থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বেটে নিলেই তৈরি চাটনি।
এ বার তেল গরম করে চাল-আলুর মিশ্রণটি থেকে হাতে করে ছোট ছোট ড্রপের মতো ফেলুন। অনেকটা তালের বড়া যে ভাবে ভাজা হয়, সেই ভাবে। ভাজা হয়ে গেলে চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।