Advertisement
E-Paper

চন্দ্র অভিযান: মহাকাশযানে শৌচালয়ের গন্ধে অতিষ্ঠ দশা! বরফ জমে কাজ করছে না ফ্লাশ, বাকি সব অভিজ্ঞতা কেমন?

সোমবার গন্তব্যে পৌঁছোনোর কথা চার মহাকাশচারীর। ইতিমধ্যে বহু ছবি তুলেছেন তাঁরা। মহাকাশচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, ‘‘পৃথিবীকে বেশ ছোট দেখতে লাগছে। চাঁদ অবশ্যই ক্রমে বড় হচ্ছে।’’

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫১
(বাঁ দিক থেকে) জেরেমি হানসেন, রিড ওয়াইসম্যান, ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার।

(বাঁ দিক থেকে) জেরেমি হানসেন, রিড ওয়াইসম্যান, ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার। ছবি: পিটিআই।

চাঁদটা ক্রমেই বড় হচ্ছে। আর পৃথিবী ছোট হচ্ছে। অভিনব এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন আর্টেমিস-২-এর চার মহাকাশচারী। নাসা সূত্রে খবর, শৌচালয়ের গন্ধে মহাকাশযানে টেকা দায় হচ্ছে মহাকাশচারীদের। উৎক্ষেপণের পর থেকেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে তাদের তরফে এ-ও জানানো হয়েছে, মহাকাশচারীদের সব ধরনের পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার অভ্যাস রয়েছে।

ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল নাসার ওরিয়ন মহাকাশযান। চার মহাকাশচারী— কমান্ডার রিড ওয়াইসম্যান, পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, অভিযান বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কচ, জেরেমি হানসেনকে নিয়ে অর্ধেকের বেশি পথ পাড়ি দেওয়া হয়ে গিয়েছে তার। চার জনের মধ্যে তিন জন আমেরিকার, এক জন কানাডার নাগরিক। সোমবার গন্তব্যে পৌঁছোনোর কথা তাঁদের। ইতিমধ্যে বহু ছবি তুলেছেন তাঁরা। মহাকাশচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, ‘‘পৃথিবীকে বেশ ছোট দেখতে লাগছে। চাঁদ অবশ্যই ক্রমে বড় হচ্ছে।’’ তার মাঝেই মাসা সূত্রে খবর, মহাকাশযানের শৌচালয় থেকে দুর্গন্ধ বার হচ্ছে। যত ক্ষণ না শৌচালয়ের ত্রুটি মেরামত হচ্ছে, তত ক্ষণ ‘ব্যাকআপ’ হিসাবে রাখা প্রস্রাব ভরার ব্যাগ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে মিশন কন্ট্রোল। যে বিজ্ঞানীরা নাসায় বসে সেই অভিযান পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণ করছেন, তাঁরাই এমনটা বলেছেন বলে খবর।

ওরিয়ন উৎক্ষেপণের পর থেকেই তার শৌচালয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে, কখনও তা বাড়ছে, কখনও কমছে। কয়েক বছর আগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এই আর্টেমিস-২ অভিযানের ক্যাপসুলের শৌচালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছিল। তার পরেও বিপত্তি আটকানো যায়নি। ইঞ্জিনিয়ারদের একাংশ মনে করছেন, শৌচালয়ে প্রস্রাব পুরোপুরি ফ্লাশ করা যাচ্ছে না বরফের কারণে। নাসার ওরিয়ন প্রকল্পের ডেপুটি ম্যানেজার ডেবি কর্থ জানিয়েছেন, মহাকাশে শৌচালয়ের বিষয়টি সত্যিই একটি ‘চ্যালেঞ্জ’। অভিযানের ম্যানেজমেন্ট টিমের চেয়ারম্যান জন হানিকাট জানান, সব ধরনের পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে মহাকাশচারীদের। তাঁরা ঠিক আছেন। তবে মহাকাশের কমোড নিয়ে মানুষের আগ্রহ একটু বেশিই।

Advertisement

আর্টেমিস-২ পৃথিবী থেকে চার লক্ষ কিলোমিটার দূরে গিয়ে চাঁদের পিছন থেকে ইউ-টার্ন করে আবার পৃথিবীর অভিমুখে চলে আসবে। মাঝে কোথাও থামবে না সে। চাঁদের কক্ষপথেও প্রবেশ করবে না। এর আগে অ্যাপোলো-১৩ এই কাজ করেছিল।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy