ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট কবে হবে? দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে এই প্রশ্ন অনেক দিন ধরেই উঁকি দিচ্ছে।

২৩ অক্টোবর থেকে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। গত রবিবার বোর্ডের বিভিন্ন রাজ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা মহানাটকের পর তাঁকেই বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিয়েছেন। প্রাক্তন জাতীয় অধিনায়ক আপাতত ভেসে যাচ্ছেন শুভেচ্ছার বন্যায়। প্রাক্তন ক্রিকেটাররা একদা সতীর্থরা জানিয়েছেন অভিনন্দন। থাকছে প্রচুর প্রত্যাশাও। যার মধ্যে অন্যতম, বাইশ গজে ভারত-পাকিস্তানকে মুখোমুখি দেখা।

২০১২ সালের শেষে পাকিস্তান এসেছিল ভারতে। সেটাই শেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। তখন ভারতে এসে দুটো টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে খেলেছিল পাকিস্তান। ঘটনা হল, সৌরভের নেতৃত্বেই ২০০৪ সালে পাকিস্তানে গিয়েছিল ভারত। যা ছিল ১৯৯৯ সালে হওয়া কার্গিল যুদ্ধের পর সেটাই ছিল প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। ১৯৮৯ সালের পর সে বারই প্রথম ভারত গিয়েছিল পাকিস্তান সফরে।

আরও পড়ুন: ঠিক সেই দিনের মতোই তোমাকে চাই, ভাজ্জির টুইটে উত্তর ‘ক্যাপ্টেন’ সৌরভের​

আরও পড়ুন: ধোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে নির্বাচকদের সঙ্গে বসতে চান বোর্ড প্রেসিডেন্ট​

আবার কবে দেখা যাবে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ? সৌরভ বলেছেন, “এই প্রশ্নটা মোদিজি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা উচিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আমাদের সরকারের অনুমতির প্রয়োজন হয়। তাই এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে নেই।” সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার জন্যই পাকিস্তানের সঙ্গে এই মুহূর্তে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক নেই ভারতের।

অর্থাৎ, সৌরভ ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারের কোর্টে বল ঠেলছেন। সরকারি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত না নিলে এই সিরিজ যে হতে পারে না, সেটাই বুঝিয়ে দিয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক যদিও এখনও বেশ তিক্ত। কিছুদিন আগেই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের বক্তৃতার সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর সৌরভকে নিয়ে আবার জল্পনা চরমে ওঠে। তাঁকে ভাবী বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নেওয়ার নেপথ্যে বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কের কথা উঠে আসে নানা মহলে। বলা হতে থাকে, বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে সৌরভকে কাজে লাগাতে আগ্রহী বিজেপি হাইকম্যান্ড। স্বয়ং, সৌরভ যদিও এহেন জল্পনা একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন।