৩০ মে বিশ্বকাপ শুরু হলেও ভারতের প্রথম খেলা হয় ৫ জুন। প্রথম ম্যাচেই শতরান করেন 'হিটম্যান'। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২২৯ রানে আটকে, ৬ উইকেটে ম্যাচ জেতে ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচেই মুখোমুখি হতে হয় পাঁচ বারের বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়ার। প্রথমে ব্যাট করে গব্বরের শতরানে ভর করে ৩৫২ তোলে ভারত। তারপর বদলে যাওয়া ভারতের পেস আক্রমণের সামনে হার মানে ব্যাগি গ্রিন বাহিনী। ৩১৬ রানে শেষ হয়ে যায় তাঁদের ইনিংস। সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়া নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ ম্যাচ ভেস্তে যায় বৃষ্টিতে।

 

ওয়াগার ওপারের প্রতিবেশীর সঙ্গে ১৬ জুন মুখোমুখি হয় ভারত। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ভারত জেতে ৮৯ রানে। আফগান ম্যাচ স্মরণীয় হয়ে থাকবে শামির হ্যাটট্রিকের জন্য। ১১ রানে জয় আসে বেশ কষ্ট করেই। নবির দৌলতে ম্যাচ প্রায় জিতে গিয়েছিল আফগানরা। এক সময়ের ক্যারিবিয়ান দৈত্যদের বল হাতে দৌড় বুক কাঁপাত ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। তাঁদের বিরুদ্ধে জয় আসে আবার সেই ভারতীয় পেস ব্যাটারির আক্রমণে। ১২৫ রানে জেতে ভারত। ভারতের অশ্বমেধের ঘোড়া থামিয়ে দেয় ব্রিটিশ সিংহ। ৩১ রানে হেরে যায় ভারত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জয় আসে বেশ কষ্ট করে। ২৮ রানে ম্যাচ জেতে ভারত। তবে শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয় আসে সহজেই। রাহুল-রোহিতের চওড়া ব্যাট কখনও মাথা তুলতেই দেয়নি শ্রীলঙ্কাকে। ৭ উইকেটে দাপটে জেতে ভারত।

অপেক্ষা এ বার আজকের ম্যাচের। পারবে কি ভারত চতুর্থবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে? অপেক্ষা আর কিছু ক্ষণের।

আর পড়ুন: ফিরছে কুল-চা জুটি? থাকছেন জাডেজা? দেখে নিন সেমিফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ