ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ভারতের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ছিলেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজেও জাতীয় দলে নেই। কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়াকে অবশ্য ইতিবাচক ভাবেই নিচ্ছেন চায়নাম্যান কুলদীপ যাদব

ভারত এ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে চার দিনের দ্বিতীয় বেসরকারি টেস্টে খেলেছেন তিনি। যা ড্র হল শুক্রবার। ভারত এ প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ৪১৭। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা এ তোলে ৪০০। কুলদীপ নেন চার উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেটে ২০২ তোলে ভারত এ। প্রিয়ঙ্ক পঞ্চাল করলেন ১০৯। করুণ নায়ার (অপরাজিত ৫১), অভিমন্যু ঈশ্বরন (৩৭) রান পেলেও তিন নম্বরে নেমে ব্যর্থ শুবমন গিল (০)। অধিনায়ক ঋদ্ধিমান সাহা অপরাজিত থাকলেন ১ রানে।

খেলা শেষ হওয়ার পরে কুলদীপ বলেছেন, “এখনও পর্যন্ত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভাল করেছি। সাদা বলের ঘরানায় রীতিমতো সন্তুষ্ট নিজের বোলিংয়ে। আর তাই শেষ দুই টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে না থাকা নিয়ে একেবারেই উদ্বিগ্ন নই। হয়তো নির্বাচকরা মনে করেছেন যে আমার বিশ্রামের দরকার। দল হয়তো মনে করেছে কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন। আমি সেটাকে সম্মান করি। আমার কোনও অভিযোগও নেই। এটাকে টেস্টে ভাল বল করার সুযোগ হিসেবে দেখছি।”

আরও পড়ুন: ইতিহাস অমিত পঙ্ঘালের, উঠলেন বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে​

আরও পড়ুন: ফিরে এল পুরনো স্মৃতি! ভারতের অনুশীলনে দ্রাবিড়

দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বেসরকারি টেস্টে ২৯ ওভার হাত ঘুরিয়েছেন তিনি। ১২১ রান খরচ করে নিয়েছেন চার উইকেট। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ধরলে ২২.৯৭ গড়ে ৮১ উইকেট নিয়েছেন কুলদীপ। এই গড় বিশ্বে নবম সেরা। ভারতীয়দের মধ্যে সপ্তম। তাঁর ইকনমি রেট ৭.৬০। যা ভারতীয়দের মধ্যে পঞ্চম। রিস্ট স্পিনারদের গুরুত্ব নিয়ে কুলদীপ বলেন, “ক্রিকেটবিশ্বে রিস্ট স্পিনারদের দাপট নিয়ে কোনও সংশয় নেই। কিন্তু কখনও কখনও রান আটকাতে  গেলে রান বরং বেরিয়ে যায়। তাই নিখুঁত নিশানায় বল করার ব্যাপারে খাটতে হবে।”

লাল বলের ক্রিকেটে মানিয়ে নেওয়া যে সহজ নয়, তা অবশ্য মেনে নিয়েছেন কুলদীপ। বলেছেন, “নিয়মিত না খেললে ব্যাপারটা কঠিন। কারণ, ওভারের ক্রিকেটে টানা খেলার পর টেস্ট ফরম্যাটে ছন্দে আসতে সময় লাগে।” ভারতের টেস্ট স্কোয়াডে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজা থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথাও স্বীকার করেছেন তিনি। অল্প সুযোগেই তাই নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া কুলদীপ।