Advertisement
E-Paper

আইপিএলে ১০ দল কত দূর যাবে, কাদের সম্ভাবনা কতটা, কারা হতে পারে চ্যাম্পিয়ন, বিচার করল আনন্দবাজার ডট কম

কলকাতা নাইট রাইডার্স-সহ দু’তিনটি দল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারকে পাচ্ছে না। দল গঠনের সময়ের পরিকল্পনা ধাক্কা খেয়েছে প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই। এই পরিস্থিতিতে কোন দল কোথায় দাঁড়িয়ে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১২:০০
picture of cricket

শনিবার শুরু আইপিএল। ছবি: এক্স।

গত নিলামে দলের দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা করেছে আইপিএলের দলগুলি। প্রয়োজনীয় ক্রিকেটারদের দলে নিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছে। তবু চোট-আঘাতে সমস্যা বেশ কয়েকটি দলকে আইপিএলের শুরুতেই উদ্বেগে রেখেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স-সহ দু’তিন দল একাধিক প্রধান ক্রিকেটারকেই পাচ্ছে না। ফলে দল গঠনের সময় যে পরিকল্পনা ছিল, তা ধাক্কা খেলেছে প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই। এই সব সমস্যা খতিয়ে দেখে প্রতিটি দলের সম্ভাবনা বিচার করেছে আনন্দবাজার ডট কম।

চেন্নাই সুপার কিংস

প্রতিযোগিতার অন্যতম ধারাবাহিক দল। ১০ বার ফাইনালে উঠে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন। মূল আকর্ষণ এখনও মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। তাঁর জনপ্রিয়তা চেন্নাইকে গোটা দেশে জনপ্রিয় করে তুলেছে। সব শহরেই চেন্নাইয়ের সমর্থকেরা গ্যালারির একাংশ ভরিয়ে রাখেন হলুদ জার্সি পরে। ২০০৯ থেকে দলের প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। ম্যাচ গড়াপেটা বিতর্কে ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) থাকার পর আবার স্বমহিমায় ফিরে এসেছে সিএসকে। এ বারের দলে রবীন্দ্র জাডেজা নেই। তবে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নায়ক সঞ্জু স্যামসন রয়েছেন। বিশ্বজয়ের আর এক নায়ক শিবম দুবেও আছেন। প্রশান্ত বীর, কার্তিক শর্মাদের মতো তরুণদের নিয়েছে সিএসকে। এ ছাড়াও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, নুর আহমেদ, নাথান এলিস, ম্যাট হেনরি, খলিল আহমেদ, অনশুল কম্বোজেরা রয়েছেন। অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তরুণ দল। ধোনির ছায়া থেকে বেরিয়ে অধিনায়ক রুতুরাজের উত্তরণ দেখতে চান চেন্নাইয়ের সমর্থকেরা।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: এ বার চেন্নাইকে সমস্যায় ফেলতে পারে বোলিং। এই দুর্বলতা ঢাকতে হবে অধিনায়ক রুতুরাজকে। অভিজ্ঞ ধোনিকে পাশে পাবেন নিশ্চিত। তবু আসল পরীক্ষা তাঁরই। পয়েন্ট তালিকায় পাঁচ বা ছ’নম্বরে শেষ করতে পারে চেন্নাই।

মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।

মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। — ফাইল চিত্র।

দিল্লি ক্যাপিটালস

এখনও খেতাবহীন। ২০২০ সালের রানার্সেরা এক বারই ফাইনালে উঠেছে। লোকেশ রাহুলের মতো ক্রিকেটার থাকলেও অধিনায়ক অক্ষর পটেল। রাহুল নিজেই নেতৃত্বে আগ্রহী নন। এ বার দলের প্রধান আকর্ষণ জম্মু-কাশ্মীরের জোরে বোলার আকিব নবি। গত দু’মরসুম ধরে রঞ্জি ট্রফিতে নজর কাড়ছেন। তাঁর সঙ্গে লুঙ্গি এনগিডি, মিচেল স্টার্ক, কুলদীপ যাদবের মতো বোলারেরা রয়েছেন। যদিও প্রথম দিকের কয়েকটি ম্যাচে পাওয়া যাবে না স্টার্ককে। ইংল্যান্ডের বেন ডাকেট নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। অনিশ্চয়তা রয়েছে শ্রীলঙ্কার পাথুম নিশঙ্কাকে নিয়েও। প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই সমস্যায় দিল্লি। অভিষেক পোড়েল, ট্রিস্টান স্টাবস, ডেভিড মিলারেরা ভরসা হয়ে উঠতে পারেন কোচ হেমাঙ্গ বাদানির। নজর থাকবে পৃথ্বী শয়ের দিকেও। বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে শুরু করা মুম্বইয়ের ব্যাটারও এ বার নিজের ক্রিকেটজীবনের উত্তরণ ঘটানোর সুযোগ পাবেন।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: এ বারের আইপিএলেও দিল্লিকে নিয়ে হয়তো দারুণ কিছু আশা করা যাবে না। বোলিং নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে দল। যদিও ভারসাম্য ভাল। খুব ভাল করলে প্লেঅফে উঠতে পারে দিল্লি।

গুজরাত টাইটান্স

নতুন দল। ২০২২ থেকে আইপিএল খেলছে। প্রথম বছরেই চ্যাম্পিয়ন। দ্বিতীয় বছরেও ফাইনালিস্ট। গত বারও প্লেঅফে উঠেছে। এমন দলকে নিয়ে প্রত্যাশা থাকবেই। অধিনায়ক শুভমন হলে তো কথাই নেই। ভারতের টেস্ট এবং এক দিনের দলের অধিনায়কের সাফল্য অনেকটা নির্ভর করবে রশিদ খান, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, কাগিসো রাবাডার মতো বোলারদের উপর। ওয়াশিংটন সুন্দর, জেসন হোল্ডারও রয়েছেন দলে। ব্যাটিংয়ে ভরসা অধিনায়ক শুভমন ছাড়া সাই সুদর্শন, জস বাটলার। কোচ আশিস নেহরার ক্রিকেট মস্তিষ্কের সাহায্য অবশ্য পাবেন শুভমন।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: দলের প্রথম তিন ব্যাটারের পারফরম্যান্সের উপরই এ বার মূলত নির্ভর করবে গুজরাতের সাফল্য। তাঁরা ধারাবাহিক ভাবে রান পেলে প্লেঅফ পর্যন্ত যেতে পারে গুজরাত। না হলে ছয় থেকে আট নম্বরের মধ্যে শেষ করতে পারে।

শুভমন গিল।

শুভমন গিল। — ফাইল চিত্র।

লখনউ সুপার জায়ান্টস

গুজরাতের মতোই নতুন দল। ২০২২ থেকে খেলছে। কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েন‌্কার প্রত্যাশা এ বারও চাপে রাখতে পারে অধিনায়ক ঋষভ পন্থকে। লখনউ অধিনায়কের এ বার প্রত্যাবর্তনের লড়াই। ভারতের টি-টোয়েন্টি এবং এক দিনের দলে সুযোগ পাচ্ছেন না। লখনউয়ের প্রথম একাদশ থেকে ভারতের প্রথম একাদশে উত্তরণ ঘটাতে চাইলে আইপিএলে তাঁকে ভাল কিছু করতেই হবে। প্রথম দু’বছর দলের মেন্টর ছিলেন গম্ভীর। প্লেঅফে উঠেছিল লখনউ। তার পর থেকে লখনউয়ের পারফরম্যান্স সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না।

দলে নিকোলাস পুরান, মিচেল মার্শ, এডেন মার্করাম, ম্যাথু ব্রিৎজ়কের মতো আগ্রাসী ব্যাটারেরা রয়েছেন। জস ইংলিসকে গোটা মরসুম পাওয়া যাবে না। এপ্রিলের মাঝামাঝি তাঁর বিয়ে। ব্যাটিং শক্তিশালী হলেও পন্থের মাথাব্যথার কারণ হতে পারে বোলিং। মহম্মদ শামি, আয়ুষ বাদোনি ছাড়া ভরসা করার মতো নাম নেই। দিগ্বেশ রাঠি, ময়ঙ্ক যাদব, আব্দুল সামাদ, মহসিন খান, প্রিন্স যাদবদের তৈরি করে নেওয়ার দায়িত্ব বোলিং কোচ ভরত অরুণের। অনরিখ নোখিয়া, ওয়ানিন্দু হাসরঙ্গার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: জাস্টিন ল্যাঙ্গারের দল যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখলেও দারুণ কিছু আশা করা যাচ্ছে না। নিজেদের দিনে সেরা হলেও ধারাবাহিকতার অভাব। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রতিটি বিভাগ একসঙ্গে ভাল পারফর্ম করতে পারে না। প্রথম পাঁচ দলের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা কম।

ঋষভ পন্থ।

ঋষভ পন্থ। — ফাইল চিত্র।

রাজস্থান রয়্যালস

রিয়ান পরাগের দলকে নিয়ে দারুণ প্রত্যাশা নেই এ বার। যশস্বী জয়সওয়াল, বৈভব সূর্যবংশী, শিমরন হেটমেয়ার, ধ্রুব জুরেলের মতো ব্যাটার রয়েছেন। জাডেজা, দাসুন শনাকা, ডোনোভান ফেরেইরার মতো অলরাউন্ডার রয়েছেন। জফ্রা আর্চার, কুলদীপ সেন, কোয়েনা মাফাকা, রবি বিশ্মোইয়ের মতো বোলারেরা রয়েছেন। তবু চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে থাকা কঠিন রাজস্থানের। দলে ফিনিশারের অভাব। বোলিংও খুব শক্তিশালী নয়। সাফল্যের জন্য তাকিয়ে থাকতে হবে মূলত তিন-চার জনের দিকে। একার হাতে ম্যাচ জেতানোর মতো ক্রিকেটারেরও অভাব রয়েছে দলে।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: নতুন অধিনায়ক এবং তরুণ দল। অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে দলে। বলা যেতে পারে সঞ্জুকে বাদ দিয়ে নতুন ভাবে শুরু করতে চাইছে রাজস্থান। সব কিছু গুছিয়ে নেওয়ার সময় প্রয়োজন। এ বার হয়তো পয়েন্ট টেবলে আট থেকে দশের মধ্যে থাকতে পারে রাজস্থান।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

চোটের জন্য আইপিএলের প্রথম দিকে খেলতে পারবেন না প্যাট কামিন্স। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের তাঁর অভাব পূরণ করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। ট্রেভিস হেড, ঈশান কিশন, অভিষেক শর্মা, হেনরিখ ক্লাসেন, লিয়াম লিভিংস্টোন, নীতীশ কুমার রেড্ডি, হর্ষল পটেলদের মতো ক্রিকেটারেরা রয়েছেন দলে। একার হাতে ম্যাচ বের করে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে একাধিক ক্রিকেটারের। এ বারের আইপিএলে অন্যতম শক্তিশালী দল হায়দরাবাদ।

কামিন্সের অনুপস্থিতিতে ড্যানিয়েল ভেট্টরির দলকে নেতৃত্ব দেবেন ঈশান। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলের ফেরা উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের কাছেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ এ বারের আইপিএল। ‘অবাধ্য’ ঈশানের বড় মঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। ক্রিকেটার ঈশান অধিনায়ক হিসাবে সাফল্য পেলে ভারতীয় ক্রিকেটে লেখা হবে আরও এক উত্তরণের কাহিনি।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: হায়দরাবাদের ফলাফল অনেকটা নির্ভর করবে কামিন্সের উপর। তিনি যত দ্রুত মাঠে নামতে পারবেন, তত লাভ হায়দরাবাদের। দলগত শক্তির নিরিখে প্রথম পাঁচ দলের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে হায়দরাবাদের। প্লেঅফে ওঠা উচিত।

(বাঁ দিকে) ঈশান কিশন এবং অভিষেক শর্মা (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) ঈশান কিশন এবং অভিষেক শর্মা (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

পঞ্জাব কিংস

২০০৮ সাল থেকে আইপিএল খেললেও কখনও চ্যাম্পিয়ন হয়নি পঞ্জাব। এ বার সুযোগ রয়েছে শ্রেয়স আয়ারের দলের সামনে। বৈচিত্র এবং ভারসাম্য রয়েছে দলে। নেহাল ওয়াধেরা, প্রিয়াংশ আর্য, প্রভসিমরন সিংহ, মার্কাস স্টোইনিস, আজমতুল্লা ওমরজ়াই, মার্কো জানসেন, মাইকেল ওয়েন, কুপার কোনোলি, লকি ফার্গুসন, অর্শদীর সিংহ, যুজবেন্দ্র চহালের মতো ক্রিকেটারেরা রয়েছেন। সঙ্গে রয়েছে কোচ রিকি পন্টিংয়ের মতো ক্রিকেট মস্তিষ্ক। দল হিসাবে পঞ্জাব বেশ শক্তিশালী। গত নিলামে পঞ্জাব কর্তৃপক্ষকে যে রকম আত্মবিশ্বাসী এবং নিশ্চিন্ত দেখিয়েছিল, তাতে সমর্থকদের প্রত্যাশার পারদ চড়বে।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: গত বারের রানার্সেরা ট্রফি জিতলে বিস্ময়ের হবে না। অধিনায়ক শ্রেয়স ফর্মে থাকলে এ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ভাল সম্ভাবনা রয়েছে পঞ্জাবের। অন্তত প্রথম চার দলের মধ্যে শেষ করা উচিত।

শ্রেয়স আয়ার।

শ্রেয়স আয়ার। — ফাইল চিত্র।

কলকাতা নাইট রাইডার্স

তিন বারের চ্যাম্পিয়ন। তবে ধারাবাহিকতার অভাব বড্ড বেশি। শাহরুখ খানের কেকেআর আইপিএলের অন্যতম জনপ্রিয় দল। তিনটি ট্রফির ক্ষেত্রেই গৌতম গম্ভীরের অবদান রয়েছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতীয় দলের কোচের দৃষ্টিভঙ্গিই কেকেআরের সাফল্যের চাবিকাঠি হতে পারে এ বার। হর্ষিত রানা, মাথিশা পাথিরানা, মুস্তাফিজুর রহমান, আকাশদীপদের পাবে না কেকেআর। প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা বোলিং আক্রমণ গড়েও কোণাঠাসা কেকেআর। ভিন্ন ভিন্ন কারণে অজিঙ্ক রাহানের দলের ভরসা এখন ব্যাটারেরা। আন্দ্রে রাসেল না থাকলেও রয়েছেন সুনীল নারাইন। রয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী, বৈভব অরোরারা। ক্যামেরন গ্রিন, রিঙ্কু সিংহ, ফিন অ্যালেন, টিম সেইফার্ট, রাচিন রবীন্দ্র, রভম্যান পাওয়েলরা যে কোনও দিন জেতাতে পারেন।

এ বারের আইপিএলে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে কেকেআর। কোচ অভিষেক নায়ার প্রথম বার কোনও দলের দায়িত্বে। ভারতীয় দল বিতাড়িত নায়ারের কাছে এ বারের আইপিএল হতে পরে কোচ হিসাবে উত্তরণের মঞ্চ। দলকে অন্তত প্লেঅফে তুলতে না পারলে প্রশ্ন উঠবে।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: এ বারও পয়েন্ট টেবলের মাঝামাঝি শেষ করতে পারে কেকেআর। ইডেন গার্ডেন্সে রাহানেদের সমস্যায় ফেলা কঠিন। তবু শাহরুখের দলকে পিছিয়ে রাখবে দলের বোলিং বিভাগের চোট সমস্যা। প্লেঅফে ওঠা কঠিন হতে পারে।

অজিঙ্ক রাহানে।

অজিঙ্ক রাহানে। — ফাইল চিত্র।

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

অন্যতম সফল দল। পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন। ম্যাচ জেতানোর মতো ক্রিকেটারে ঠাসা দল। অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য ছাড়াও রয়েছেন রোহিত, সূর্যকুমার, তিলক বর্মা, কুইন্টন ডিকক, রায়ান রিকেলটন, মিচেল স্যান্টনার, শার্দূল ঠাকুর, করবিন বস, শার্ফেন রাদারফোর্ড, উইল জ্যাকস, ট্রেন্ট বোল্ট, বুমরাহের মতো ক্রিকেটারদের নিয়ে তৈরি দল। প্রথম একাদশ বেছে নেওয়াই চ্যালেঞ্জ কোচ মাহেলা জয়বর্ধনের।

ক্রিকেটের সব বিভাগই শক্তিশালী। অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের মিশেল রয়েছে। নেতৃত্ব দিতে পারেন এমন অন্তত সাত-আট জন ক্রিকেটার রয়েছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে যাঁদের সম্মিলিত ক্রিকেট বোধ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: সম্ভবত প্রতিযোগিতার সবচেয়ে শক্তিশালী দল। গত দু’মরসুম মুম্বই শুরুর দিকে খুব ভাল পারফর্ম করতে পারেনি। প্রতিযোগিতা যত এগিয়েছে তত তাদের খেলার ধার বেড়েছিল। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে। এ বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম প্রধান দাবিদার মুম্বই। প্রত্যাশার চাপ থাকবে।

রোহিত শর্মা।

রোহিত শর্মা। — ফাইল চিত্র।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

গত মরসুমের ট্রফির দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষ হওয়ায় কোহলিরা এ বার অনেক খোলা মনে খেলতে পারবেন। যা আরও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে তাঁদের। বার বার শক্তিশালী দল গড়েও ব্যর্থ হয়েছে বেঙ্গালুরু। অবশেষে রক্তের স্বাদ পেয়ে যাওয়া বাঘ যেমন ভয়ঙ্কর, এ বারের বেঙ্গালুরু তেমন হবে পারে। সঙ্গে যোগ হতে পারে গত মরসুমের শেষে নিহত ১১জন সমর্থকের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্যের প্রতিজ্ঞা।

বিরাট কোহলি।

বিরাট কোহলি। — ফাইল চিত্র।

রজত পাটিদারের দলে কোহলি ছাড়াও রয়েছেন দেবদত্ত পাড়িক্কল, ফিল সল্ট, জিতেশ শর্মা, টিম ডেভিড, ক্রুণাল পাণ্ড্য, জেকব বেথেল, রোমারিও শেফার্ড, বেঙ্কটেশ আয়ার, জস হেজ়লউড, ভুবনেশ্বর কুমার, জেকব ডাফি, সুয়ষ শর্মার মতো ক্রিকেটার। সঙ্গে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের মতো কোচ। বেঙ্গালুরুর দল বৈচিত্র এবং ভারসাম্যে ভরা। ম্যাচ উইনারের অভাব নেই। হালকা ভাবে নেওয়া সম্ভব নয় কোনও দলের পক্ষেই।

আনন্দবাজার ডট কম-এর বিচার: বেঙ্গালুরু এ বারও ট্রফি জয়ের অন্যতম দাবিদার। বোলিং একটু দুর্বল হলেও বাকি বিভাগগুলি তা ঢেকে দিতে পারে অনায়াসে। প্রথম তিন দলের মধ্যে থাকতে না পারলে কোহলিরা হতাশই করবেন।

Championship RCB MI PBKS KKR SRH
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy