আজ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হল। সকাল ন’টার পর আনুষ্ঠানিক ভাবে ফলপ্রকাশ করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

এ বছর ১০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল।

যে ওয়েবসাইটগুলির মাধ্যমে ফল জানা যাবে সেগুলি হল: www.wbbse.orgwbresults.nic.inwww.exametc.comwww.indiaresults.comwww.results.shiksha

www.schools9.comwww.vidyavision.comwww.jagranjosh.comwww.newsnation.in

কোন জেলা কেমন ফল করল দেখে নিন:

• প্রথম দশে রয়েছে মোট ৫১ জন।

• ৬৯৪ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহম্মদপুর দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠের ছাত্র সৌগত দাস।

• দ্বিতীয় হয়েছে দু’জন ফালাফাটা গার্লস হাইস্কুলের শ্রেয়সী পাল এবং কোচবিহারের ইলাদেবী হাইস্কুলের ছাত্রী দেবস্মিতা সাহা। তাদের দু’জনেরই প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।

• তৃতীয় হয়েছে রায়গঞ্জ গার্লস হাইস্কুলের ক্যামেলিয়া রায় এবং শান্তিপুর মিউনিসিপাল হাইস্কুলের ব্রতীন মণ্ডল। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।

(বাঁ দিক থেকে) ক্যামেলিয়া রায়, শ্রেয়সী পাল এবং ব্রতীন মণ্ডল। —নিজস্ব চিত্র।

• চতুর্থ অরিত্র সাহা। আলিপুরদুয়ার বারবিশা হাইস্কুলের ছাত্র। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।

• ৬৮৬ নম্বর পেয়ে পঞ্চম হয়েছেন হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র সুকল্প দে এবং কান্দি রাজা মনীন্দ্রচন্দ্র গার্লস হাইস্কুলের রুমনা সুলতানা।

• ৬৮৫ নম্বর পেয়ে ষষ্ঠ হয়েছেন পাঁচ জন। গোঘাট হাইস্কুলের সোহম দে, রামপুরহাট হাইস্কুলের সাবর্ণী চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান বিদ্যার্থী গার্লস হাইস্কুলের সাহিত্যিকা ঘোষ, পশ্চিম মেদিনীপুরের ঋষি রাজনারায়ণ বালিকা বিদ্যালয়ের সুপর্ণা সাহু এবং মহিয়ারী কুণ্ডু চৌধুরী ইনস্টিটিউটের ছাত্র অঙ্কন চট্টোপাধ্যায়।

• সপ্তম হয়েছেন তিনজন। ইলাদেবী গার্লস হাইস্কুলের গায়ত্রী মোদক, বেদীভবন রবিতীর্থ বিদ্যালয়ের সপ্তর্ষি দত্ত এবং ঘাটাল বিদ্যাসাগর হাইল্কুলের অনীক চক্রবর্তী। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪।

• অষ্টম হয়েছে মোট ১১ জন। তারা হল কোচবিহারের শীতলকুচি হাইস্কুলের শাহনাজ আলম, বাঁকুড়ার বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন হাইস্কুলের অর্কপ্রভ সাহানা ও   কৌশিক সাঁতরা,  বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাইস্কুলের সুদীপ্তা ধবল, দক্ষিণ দিনাজপুর গঙ্গারামপুর হাইস্কুলের সায়ন্তন বসাক, বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সায়ন্তন দত্ত,  আরামবাগ গার্লস হাইস্কুলের দেবলীনা দাস, পুরুলিয়ার রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন হাইস্কুলের প্রীতীশ কর্মকার, বর্ধমান বিদ্যার্থীভবন গার্লস হাইস্কুলের অয়ন্তিকা মাঝি, কাটোয়া কাশিরাম দাম ইনস্টিটিউটের পুষ্কর ঘোষ, আমতলা নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ের সেমন্তী চক্রবর্তী। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৩।

• নবম হয়েছেন ৭ জন। তারা হল আলিপুরদুয়ারের শিলবাড়িহাট হাইস্কুলের ছাত্র জয়েশ রায়, জলপাইগুড়ির আশালতা বসু বিদ্যালয়ের অনুষ্কা মহাপাত্র, বাঁকুড়া জেলা হাইস্কুলের সৌগত পাণ্ডা, পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি হাইস্কুলের প্রত্যুষ করণ, পূর্ব মেদিনীপুরের জ্ঞানদীপ বিদ্যাপীঠের অরুণিমা ত্রিপাঠি, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের অভিনন্দন জানা ও ঐকিক মাঝি। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮২।

• দশম হয়েছে ১৫ জন। এরা হল উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ হাইস্কুলের সঞ্চারী চক্রবর্তী, মালদহের বার্লো গার্লস হাইস্কুলের সায়নিকা দাস, বাঁকুড়ার রামকৃষ্ণ মিশন সারদা বিদ্যাপীঠের সৌধা হাজরা, বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাইস্কুলের সখী কুণ্ডু, বাঁকুড়ার বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন হাইস্কুলের রিমা চৌধুরী, হুগলির মহামায়া বিদ্যামন্দিরের সৌম্যদীপ দত্ত, বীরভূমের নেতাজি বিদ্যাভবনের অরিত্র মহড়া, পূর্ব বর্ধমানের মেমারি বিদ্যাসাগর মেমরিয়াল ইনস্টিটিউটের সৌম্যদীপ ঘোষ, পশ্চিম বর্ধমানের রামকৃষ্ণ আশ্রম বিদ্যাপীঠের সায়ন্তিকা রায়, ঝাড়গ্রামের বাঁধগোরা আঁচল বিদ্যালয়ের শুভদীপ মাঝি, রহড়া ভবনাথ ইনস্টিটিউট ফর গার্লসের সহেলী রায়, হাবরার কামিনীকুমার গার্লস হাইস্কুলের অঙ্কিতা কুণ্ডু, কলকাতার যাদবপুর বিদ্যাপীঠের সোহম দাস, বিরাটি বিদ্যালয় ফর গার্লসের প্রত্যাশা মজুমদার,  রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজের দেবমাল্য সাহা। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮১।

• সবচেয়ে বেশি পাশের হার পূর্ব মেদিনীপুরে। তারপর রয়েছে কলকাতা। পূর্ব মেদিনীপুরে পাশের হার ৯৬.০১ এবং কলকাতার পাশের হার ৯২.১৩।

• পাশের হার পূর্ব মেদিনীপুরে ৯৬.০১, কলকাতায় ৯২.১৩, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৯১.৭৮, দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৯০.৭০, উত্তর ২৪ পরগণায় ৯০.৩৫, হুগলিতে ৮৯.০৭, হাওড়ায় ৮৭.৭৪, কালিম্পঙে ৮৬.১৬, নদিয়ায় ৮৫.১১, ঝাড়গ্রামে ৮৪.৫৯ শতাংশ, পূর্ব বর্ধমানে ৮৪.১১, মালদহে ৮২.৪১, মুর্শিদাবাদে ৮১.২৭, বাঁকুড়ায় ৭৭.৭০, পুরুলিয়ায় ৭৬.৫০, দার্জিলিঙে ৭৬.৪৯, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৭৫.৯৩, কোচবিহারে ৭৫.৯১, পশ্চিম বর্ধমানে ৭৫.৩৮, বীরভূমে ৭৩.৭৫, উত্তর দিনাজপুরে ৬৯.০১, আলিপুরদুয়ারে ৬৮.৯৮, জলপাইগুড়িতে ৬৫.২৬।

• এ বছর মাধ্যমিকে পাশের হার সর্বোচ্চ ৮৬.০৪ শতাংশ। গত বছরে ছিল ৮৫.৪৯ শতাংশ।

• এ বছর ১০ লাখ ৬৬ হাজার ১৭৫ পরীক্ষার্থী ছিল। পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২৮৩৫। পরীক্ষা বাতিল হয়েছে ৭৩ জনের।

• গত বছরের চেয়ে ছাত্রীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৯৬১ জন বেশি।