উপাচার্য: আপনি আমার দফতরে চলুন।

বাবুল: যাব না। আমি এখানে রাজনৈতিক নেতা নই। আমার অন্য পরিচয় আছে। আমি দেশের এক জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। মন্ত্রীও। আপনি কী করছেন? আপনারই উচিত ছিল আমাকে অভ্যর্থনা জানানো।

উপাচার্য: এই অনুষ্ঠানে আমি নিজেই আমন্ত্রিত নই।

বাবুল: আপনি আমন্ত্রিত না-ই হতে পারেন। আমি আমন্ত্রিত। আপনার ক্যাম্পাসে এসেছি। আপনি থাকলে এটা হত না। 

উপাচার্য: স্যর, স্যর...

বাবুল: আপনাদের জন্যই পশ্চিমবঙ্গে এই অরাজকতা হয়েছে। আপনি চাইছেন এটা হোক। আমি নিশ্চিত, আপনি এক জন বামপন্থী।

উপাচার্য: নো নো...।

বাবুল: ক্যাম্পাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আসছেন।  আপনি কেন থাকবেন না?

উপাচার্য: যখনই খবর পেয়েছি এসেছি...

বাবুল: আজকে এই জন্যই শিক্ষা ব্যবস্থার এই অবস্থা।

(এর পরে বাবুল হলে ঢোকেন, সঙ্গে উপাচার্যও ঢোকেন। উপাচার্য বাবুলকে কিছু বলতে উদ্যত হন)

বাবুল: আমি বক্তৃতা দিচ্ছি। পরে কথা বলব। এমন ঘটনা ওঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে!

উপাচার্য: অনভিপ্রেত ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয় এমন ঘটনা অনুমোদন করে না।

(অনুষ্ঠান শেষে বাবুল বলেন উপাচার্যকে ডাকা হোক। বাবুলের ফোন উপাচার্যকে, পুলিশ ডাকুন। উপাচার্য ফের আসেন )

উপাচার্য:  এটা এখানকার প্রথা নয়।

(পুলিশ ডাকতে বলে রাজ্যপালের সেক্রেটারির ফোন উপাচার্যকে)

উপাচার্য: পুলিশ ডাকব না। প্রয়োজনে ইস্তফা দেব।