Advertisement
E-Paper

শালবনিতে মৃত বিএলও, এসআইআরের চাপকেই দুষছে পরিবার! রানাঘাটে মৃত বৃদ্ধ, নাম ওঠেনি ভোটার তালিকায়

বৃহস্পতিবার ভোরে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন সুবিমল। পরিবারের লোকজন দ্রুত স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মৃতের বাড়িতে যান স্থানীয় বিধায়ক সুজয় হাজরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩২

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

রাজ্যে মৃত্যু হল আরও এক বিএলও-র। পরিবার দুষছে এসআইআর-কে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। অন্য দিকে, নদিয়ার রানাঘাটে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। তাঁর পরিবারের দাবি, ভোটার তালিকায় ওই ব্যক্তি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নাম না-থাকায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিলেন। হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

পশ্চিম মেদিনীপুরে মৃত বিএলও-র নাম সুবিমল কারক। তাঁর বয়স ৫৮ বছর। বাড়ি শালবনি থানার হাতিমারি এলাকায়। তিনি সাবলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হাতিমারি বুথের বিএলও-র দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। পরিবারের অভিযোগ, বয়সজনিত কারণে সুবিমল প্রথম থেকেই এই দায়িত্ব নিতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তবুও তাঁকে জোর করে বিএলও-র দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই কারণেই তিনি দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক চাপে ছিলেন বলে দাবি পরিবারের।

বৃহস্পতিবার ভোরে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন সুবিমল। পরিবারের লোকজন দ্রুত স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মৃতের বাড়িতে যান স্থানীয় বিধায়ক সুজয় হাজরা। তিনি বলেন, ‘‘এটা নির্বাচন কমিশন নয়, নির্যাতন কমিশন। এই অত্যাচার মানুষ কোনও দিন ভুলবে না। এর জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী।’’

মৃতের মেয়ে সুচন্দ্রিমা কারক বলেন, ‘‘বাবা খুব চাপে ছিলেন। সারা দিন কাজ করতেন, রাত জেগেও কাজ করতে হত। বাবার আগে থেকেই হার্টের সমস্যা ছিল। সেই জন্যই দায়িত্ব নিতে চাননি। এখন সব শেষ হয়ে গেল আমাদের।’’

এর পরেই বিএলও-দের কাজের চাপ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও, মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, ‘‘যে কোনও মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক। তবে এখন কারও মৃত্যু হলেই নির্বাচন কমিশনের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে তৃণমূল। এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত।’’

রানাঘাটে মৃতের নাম জয়দেব দত্ত। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। পরিবারের দাবি, ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ছিল না। সেই নিয়েই চিন্তা করছিলেন জয়দেব। বৃহস্পতিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন তিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়দেবের কাছে তাঁর বাবার নথিপত্র ছিল না। এসআইআরের শুনানিতে তাঁর নিজের কিছু নথি দিয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরে তাঁর নাম ‘বাতিল ’ দেখে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন ।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy