দু’টি কামরার মাঝখানে সঙ্কীর্ণ পাদানি। জীবনের তোয়াক্কা না করে ট্রেনের দরজার বাইরের সেই সরু অংশে বসে সফর করতে দেখা গেল এক বৃদ্ধাকে। সামান্যতম ভুল হলেই প্রাণসংশয় হতে পারত তাঁর। বৃদ্ধার ঝুঁকির রেলযাত্রার একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভিডিয়োটি দেখে আঁতকে উঠেছেন নেটাগরিকেরা। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়োটি কোথায় ও কবে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে সেই বিষয়েও কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক বৃদ্ধা ট্রেনের দরজার বাইরের পাদানিতে চড়ে জীবনের ঝুঁকি নিতেও পিছপা হননি। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে ট্রেনটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলছে, কিন্তু বৃদ্ধা মহিলা কামরায় না উঠে বাইরেই বসে থাকেন। ভিডিয়োয় স্পষ্ট ভাবে দেখা গিয়েছে যে তিনি অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় বসে আছেন। নীচের রেললাইনগুলি নিমেষের মধ্যে যে ভাবে সরে যাচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় ট্রেনটি বেশ দ্রুত গতিতে চলছে। প্রবল দমকা হাওয়া এবং ট্রেনের গতি দুই মিলে বৃদ্ধার যাত্রাকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।
गरीबी बहुत बुरी होती है मौ@त से
— S marwadi (@s___marwadi786) April 1, 2026
भी समझोता कर लेती है उपर वाला
ऐसी बजबूरी किसी को ना दे😢 pic.twitter.com/MTvRAd4OMM
ভিডিয়োটি ‘এস_মারওয়াডি৭৮৬’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করে লেখা হয়েছে, ‘‘দারিদ্র ভয়াবহ; এটি মানুষকে মৃত্যুর সঙ্গেও আপস করতে বাধ্য করে। ঈশ্বর যেন কাউকে এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে না ফেলেন।’’ ভিডিয়োটি দেখে শিউরে উঠেছেন নেটাগরিকেরাও। একচুল এ দিক-ও দিক হলেই রেললাইনে ছিটকে পড়ে যেতে পারতেন বৃদ্ধা, বলে মন্তব্য করেছেন বহু নেটাগরিকই। কেউ কেউ আবার বৃদ্ধার সমালোচনা করে যুক্তি দিয়েছেন, যে তিনি সাধারণ কামরায় উঠে বসতে পারতেন।