বিশ্ব ঘোরা তাঁর শখ। পেশায় তিনি ভ্রমণ বিষয়ক নেটপ্রভাবী। যেখানে ঘুরতে যান, সেই জায়গার ছবি-ভিডিয়ো তুলে সমাজমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করেন। কিন্তু পশ্চিম এশিয়া ঘুরে নিজের মাটি আমেরিকায় পা দিতেই এল তাঁর কাছে অন্য রকম কাজের সুযোগ। আমেরিকার বিমানবন্দরে থাকা অভিবাসন দফতরের আধিকারিক তাঁকে আমেরিকার গুপ্তচর হওয়ার প্রস্তাব দিলেন। সাজমাধ্যমে ভিডিয়ো পোস্ট করে তেমনটাই জানালেন তরুণী। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ভ্রমণ বিষয়ক নেটপ্রভাবী তরুণী সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো পোস্ট করে তাঁর এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা জানাচ্ছেন। সেখানে তিনি প্রথমেই জানালেন যে আমেরিকার সরকার তরুণীকে তাঁদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি জানালেন যে, কয়েক বছর আগে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সি হিসাবে সব ক’টি দেশ ঘুরে বেড়ানোর রেকর্ড করবেন বলে ঠিক করেছিলেন। সেই সময় তিনি পশ্চিম এশিয়ার কিছু অংশ ঘুরে আমেরিকায় ফিরে এসেছিলেন। তখন বিমানবন্দরে উপস্থিত অভিবাসন দফতরের আধিকারিক তাঁর সঙ্গে একটু বেশিই ভাল ব্যবহার করতে শুরু করেন, যা তরুণীর কাছে অদ্ভুত ঠেকে। তরুণীর মতে, এর আগে কখনও তাঁদের কাছ থেকে এমন ব্যবহার তিনি পাননি। তরুণীকে তিনি ঘোরার অভিজ্ঞতার ব্যাপারেও নানা প্রশ্ন করেন। তার পর একটি অন্য ঘরে যেতে বলেন। সেখানে উপস্থিত অপর এক অভিবাসন দফতরের আধিকারিকও তাঁর সঙ্গে খুব ভাল ব্যবহার করেন। এমনকি তাঁর ব্যাগপত্তর বয়ে দেওয়ারও প্রস্তাব দেন। তার পরই সেই অভিবাসন দফতরের আধিকারিক নিজের মনের কথা তুলে ধরেন। সেই অভিবাসন দফতরের আধিকারিক জানান যে তিনি আমেরিকার সরকারের সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি চান যে তরুণী তাঁদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করুন। তরুণীর দাবি, তাঁরা তরুণীর ফোন নম্বরও নেন। কিন্তু আজ অবধি তাঁদের থেকে কোনও রকম ফোন পাননি বলে জানিয়েছেন তরুণী। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘লর্ড ইম্মি কান্ট’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় দশ লক্ষ বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রায় বারো হাজার নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া করেছেন। নানা রকম মন্তব্যে ভরে গিয়েছে মন্তব্যবাক্স। তরুণীর দাবিতে চমকেছে নেটদুনিয়া।