উত্তর ভারতের রাস্তাঘাটে হওয়া যানজট সম্বন্ধে সকলেরই ধারণা রয়েছে। সেখানে প্রায়ই সারি ধরে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। থেকে থেকে সৃষ্টি হয় ঝামেলা, বিশৃঙ্খলা। তেমনই এক ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। তবে সাধারণ মানুষ ছাড়াও এ বারের অশান্তির দর্শক ছিলেন পুলিশকর্মী। তাঁর সামনেই হাতাহাতি লেগে গেল সাধারণ মানুষের মধ্যে। থামাতে গিয়ে পুলিশকর্মী নিজেও মার খেলেন। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়ো অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে হিমাচল প্রদেশের হানোগি টানেলে।
আরও পড়ুন:
-
প্রখর রোদ মাথায় নিয়ে বালি বইছেন শ্রমিকদল, রেহাই পেতে খুঁজে নিলেন অভিনব পন্থা! ভিডিয়ো দেখে চোখে জল নেটাগরিকদের
-
বিনামূল্যে শসা খাওয়ার ছক পুলিশের, ২০ টাকা চেয়ে মার খেলেন বিক্রেতা! ভিডিয়ো দেখে ধিক্কার জানাল নেটপাড়া
-
দেশভাগে আলাদা হয়েছিলেন, ৭৮ বছর পর পাকিস্তান গিয়ে খুঁজে পেলেন হারানো বন্ধুকে! ভাইরাল আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিয়ো
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, টানেলের মধ্যে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে একের পর এক গাড়ি। হঠাৎই সেই গাড়িগুলির মাঝে থাকা নামমাত্র জায়গাতেই বেঁধে গেল বচসা। দু’-তিনটি গাড়ি থেকে লোকজন বেরিয়ে এসে সেখানে মারামারি করতে লাগলেন। এক জন পুলিশকর্মী ছুটে গেলেন থামাতে। কিন্তু তাঁকে কেউ গুরুত্ব তো দিলেনই না। উল্টে সেই পুলিশকর্মীটিও মার খেলেন। কোনও ভাবেই উত্তেজিত জনতাকে মারামারি করা থেকে আটকানো গেল না। যদিও কী নিয়ে তাঁদের মধ্যে বচসা বাধল তা সেই ভিডিয়ো থেকে জানতে পারা যায়নি। মাঝরাস্তায় বিশৃঙ্খলার সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
-
গঙ্গার প্রবল স্রোতে ভেসে যাচ্ছে চতুষ্পদ, প্রাণরক্ষায় এগোলেন তরুণদল, নৌকায় তুলে পৌঁছে দিলেন পারে! ভাইরাল ভিডিয়ো
-
‘শ্বশুরবাড়ি গিয়ে কী করবি?’ ইয়ারফোন লাগিয়ে পড়ার ‘দোষে’ কিশোরীকে বকুনি মায়ের, জুটল মারও! ভাইরাল ভিডিয়ো
-
বন্ধুর বিয়েতে অদ্ভুত উপহার নিয়ে হাজির তরুণ! ‘জীবন্ত গালি’ পেয়ে অস্বস্তিতে নবদম্পতি, ভাইরাল ভিডিয়ো
‘নিখিল সৈনি’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে ৬৩ হাজারেরও বেশি বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রচুর নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নানা রকমের নিন্দামূলক মন্তব্যে ভরে গিয়েছে পোস্টটির মন্তব্যবাক্স। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘শরীরে যা গরম ছিল সব রাস্তাতেই বার করে দিলেন।’’ অপর এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘ভারতে সবার আগে সভ্যতার লাইসেন্স দেওয়া উচিত, তার পর গাড়ি চালানোর লাইসেন্স দেওয়া হবে।’’ পুলিশের কার্যক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নেটাগরিকেরা।