বহু দিন ধরে বিদেশে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তরুণী। বিমানের টিকিট কাটার সময় ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েও দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় তরুণীর বস্ কোনও আপত্তি জানাননি। তরুণী ঘুরতে যাওয়ার জন্য রওনা দিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে তাঁর ছুটি বাতিল করে দিলেন ঊর্ধ্বতন। ভিডিয়োয় বসের প্রতি ক্ষোভপ্রকাশ করে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন তরুণী। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘দেসি_আর্বান’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক তরুণী প্রচণ্ড রেগে ফোনের নিজস্বী ক্যামেরা চালু করে ভিডিয়ো তুলছেন। বেসরকারি সংস্থার কর্মী তিনি। বহু দিন ধরে ভিয়েতনাম ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছা তাঁর। টাকা জমিয়ে সেই পরিকল্পনা পাকা করে ফেলেছেন। তরুণী যে ঘুরতে যাওয়ার জন্য লম্বা ছুটি নিচ্ছেন, সে কথা বহু দিন আগেই তাঁর ঊর্ধ্বতনকে জানিয়ে দিয়েছিলেন।
তরুণীর দাবি, সেই সময় কোনও আপত্তি জানাননি তাঁর বস্। নির্দিষ্ট দিনে তরুণী যখন বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছেন, সেই মুহূর্তে তাঁর ঊর্ধ্বতন হঠাৎ করে ছুটি বাতিল করে দেন। বসের দাবি, অফিসে লোক কম। তাই তরুণী ছুটি নিতে পারবেন না। ঘটনায় তরুণী খুব রেগে যান।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োয় তিনি বলেন, ‘‘আমি স্বাধীনতা পছন্দ করি। আমি এমন মানুষ নই যে, কাজ করতে খুব ভালবাসি। টাকার জন্য চাকরি করি। সেই টাকা জমিয়ে ঘুরতে যাই। আর আমি তা-ই করব। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগেও যদি বস্ জানাতেন, তখনও আমি ঘুরতে যাওয়া বাতিল করতাম না। কিন্তু ল্যাপটপ নিয়ে আসতাম। ঘোরার ফাঁকে ফাঁকে নিজের মতো কাজ করে নিতাম। কিন্তু এখন আমি বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছি। আর আমি অফিসের গ্রুপ দেখব না। একেবারে ঘুরে এসে সব দেখব। এর জন্য যদি আমার চাকরি যায়, যাক। অন্য চাকরি খুঁজে নেব।’’
ভিডিয়োটি দেখে তরুণীকে সমর্থন জানিয়েছেন নেটপাড়ার অধিকাংশ। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘অফিসের ঊর্ধ্বতনেরা ভাবেন, চাকরি করছি মানে ২৪ ঘণ্টা গোলামি করতে হবে। পেশাগত জীবনের বাইরে কারও কোনও ব্যক্তিগত জীবন থাকতে নেই। আপনি একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হকের ছুটি নিয়েছেন। অন্যায় করেননি।’’