বিনা অনুমতিতেই পোষ্যকে নিয়ে দূরপাল্লার ট্রেনের এসি কামরায় উঠে পড়েছিলেন দম্পতি। অভিযোগ, পোষ্যকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ট্রেনে পাচারের চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। কুকুরটির ঘুম ভাঙতেই ভয় পেয়ে ডাকতে শুরু করে সে। সেই আওয়াজ শুনে সঙ্গে সঙ্গে টিকিট পরীক্ষককে খবর দেন কামরার অন্য যাত্রীরা। তখনই আসল সত্য ফাঁস হয়। দম্পতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করে রেলপুলিশ। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘অতুলসিংহ’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, একটি কুকুর চিৎকার করতে করতে এক্সপ্রেস ট্রেনের এসি কামরার ভিতর লাফালাফি করছে। অভিযোগ, সেই এসি কামরায় পোষ্য কুকুরটিকে নিয়ে উঠেছিলেন এক দম্পতি। যাত্রীরা যেন কুকুরটির উপস্থিতির সম্পর্কে অবগত হতে না পারেন, সে জন্য কুকুরটিকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়েছিলেন তাঁরা। কিছু ক্ষণ পর ঘুমের ওষুধের রেশ কাটতে কুকুরটি চিৎকার-চেঁচামেচি করতে শুরু করে। এসি কামরায় কুকুর লাফালাফি করছে দেখে টিকিট পরীক্ষককে খবর পাঠান অন্য যাত্রীরা।
টিকিট পরীক্ষক ওই দম্পতির টিকিট পরীক্ষা করে দেখেন যে, তাঁরা
ট্রেনে কুকুর নিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতীয় রেলের কোনও নিয়মই মানেননি। অভিযোগ, ঘুমের
ওষুধ খাইয়ে কুকুরটিকে পাচার করার চেষ্টা করছিলেন ওই দম্পতি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে
হাজির হয় রেলপুলিশ। পরের স্টেশনে ট্রেন থামতেই দম্পতিকে সেখানে নামিয়ে দেন রেলকর্মীরা। ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়তে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন অনেকে। এক
নেটাগরিক এই প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘‘ওই দম্পতির বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ করা প্রয়োজন
ছিল। পোষ্যের সঙ্গে যাঁরা এই ধরনের আচরণ করতে পারেন, তাঁরা ভবিষ্যতে আরও বড় ক্ষতি
করে দিতে পারেন।’’