তাঁর বিরুদ্ধে কতগুলি এফআইআর হয়েছে জানতে চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচনী হলফনামায় মামলার বিষয়ে উল্লেখ করতে হয়। সেই কারণেই ওই তথ্য রাজ্যের কাছে জানতে চান শুভেন্দু। বৃহস্পতিবার তাঁর আইনজীবী হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর বক্তব্য, পুলিশ ওই তথ্য দিচ্ছে না। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলা দায়ের করার অনুমতি দেন। আগামী মঙ্গলবার ওই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। শুভেন্দুর পাশাপাশি ওই একই আবেদন জানিয়ে মামলা করেছেন বিজেপির ময়না কেন্দ্রের প্রার্থী অশোক দিন্ডাও।
বিধানসভা নির্বাচনে দু’টি কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তিনি। নিয়ম অনুসারে, প্রার্থীদের মনোনয়পত্রে উল্লেখ করতে হয় তাঁর বিরুদ্ধে কত মামলা রয়েছে। শুভেন্দুর ক্ষেত্রে সেই সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আইনজীবী জানান, ২০২০ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে পর পর ভুয়ো মামলা রুজু করা হয়েছে। গত এক বছরে প্রায় ২৬টি এফআইআর করা হয় নন্দীগ্রামের প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
এক সময় হাই কোর্ট শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন মামলা আর না করার নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছিল। প্রায় তিন বছর ওই রক্ষাকবচ ছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। রক্ষাকবচ তুলে নেওয়ার পরে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে থানায় আরও কয়েকটি অভিযোগ দায়ের হয়। এই অবস্থায় ঠিক কত মামলা রয়েছে, সেই তথ্য জানতে চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০০:৪৩
গণনাকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়া যাবে না, পেনও কি রাখা যাবে না সঙ্গে? প্রার্থীর এজেন্টেরা কী কী নিয়ে যেতে পারবেন? -
০০:০১
আপনার আসনে কোন দল এগিয়ে? কোন জেলায় কে কোথায় রয়েছে? এখানে পাবেন ২৯৩টি আসনের ছবি -
০০:০১
তৃণমূলই ফিরবে? না পশ্চিমবঙ্গেও পদ্ম ফোটাবে বিজেপি? ২৯৩ আসনের ভোট গোনা হবে সোমবার, তাকিয়ে গোটা দেশ -
২০:৩৪
গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কোনও ঢিলেমি সহ্য করবে না কমিশন! কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে ফের বার্তা দিলেন সিইও মনোজকুমার -
১৯:০০
গণনাকর্মীদের মোবাইল নম্বর প্রকাশিত হলে কড়া পদক্ষেপ, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন