Advertisement
E-Paper

নবান্ন অভিযান

‘আমার বিরুদ্ধে কত এফআইআর হয়েছে’? হাই কোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু, অভিযোগ, পুলিশ তথ্য দিচ্ছে না

বিধানসভা নির্বাচনে দু’টি কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তিনি। নিয়ম অনুসারে, প্রার্থীদের মনোনয়পত্রে উল্লেখ করতে হয় তাঁর বিরুদ্ধে কত মামলা রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৯
শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারী। — ফাইল চিত্র।

তাঁর বিরুদ্ধে কতগুলি এফআইআর হয়েছে জানতে চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচনী হলফনামায় মামলার বিষয়ে উল্লেখ করতে হয়। সেই কারণেই ওই তথ্য রাজ্যের কাছে জানতে চান শুভেন্দু। বৃহস্পতিবার তাঁর আইনজীবী হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর বক্তব্য, পুলিশ ওই তথ্য দিচ্ছে না। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলা দায়ের করার অনুমতি দেন। আগামী মঙ্গলবার ওই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। শুভেন্দুর পাশাপাশি ওই একই আবেদন জানিয়ে মামলা করেছেন বিজেপির ময়না কেন্দ্রের প্রার্থী অশোক দিন্ডাও।

বিধানসভা নির্বাচনে দু’টি কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তিনি। নিয়ম অনুসারে, প্রার্থীদের মনোনয়পত্রে উল্লেখ করতে হয় তাঁর বিরুদ্ধে কত মামলা রয়েছে। শুভেন্দুর ক্ষেত্রে সেই সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আইনজীবী জানান, ২০২০ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে পর পর ভুয়ো মামলা রুজু করা হয়েছে। গত এক বছরে প্রায় ২৬টি এফআইআর করা হয় নন্দীগ্রামের প্রার্থীর বিরুদ্ধে।


এক সময় হাই কোর্ট শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন মামলা আর না করার নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছিল। প্রায় তিন বছর ওই রক্ষাকবচ ছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। রক্ষাকবচ তুলে নেওয়ার পরে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে থানায় আরও কয়েকটি অভিযোগ দায়ের হয়। এই অবস্থায় ঠিক কত মামলা রয়েছে, সেই তথ্য জানতে চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Suvendu Adhikari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy