Advertisement
E-Paper

‘নাম বাদ গেলে কোথায় যাব’! এসআইআর নোটিস পেতেই আতঙ্ক, জলঙ্গিতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন আকসার। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় তাঁর। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েই এই মৃত্যু।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৪
A man death due to heart attack in Murshidabad

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

‘এসআইআর আতঙ্কে’ প্রাণ গেল মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির। মঙ্গলবার সকালে জলঙ্গি থানা এলাকার নওদাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আকসার শেখের মৃত্যু হয় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে। তবে পরিবারের দাবি, এসআইআরের নোটিস পাওয়ার পর থেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন আকসার। দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, আকসার সাধারণ শ্রমিকের কাজ করতেন। চার পুত্র এবং স্ত্রীকে নিয়ে তাঁর সংসার ছিল। সম্প্রতি ব্লক প্রশাসন থেকে এসআইআরের শুনানিতে যাওয়ার নোটিস পান আকসার। পরিবারের দাবি, নোটিস পাওয়ার পর থেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন তিনি। ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না তো তাঁর নাম, জড়িয়ে পড়তে হবে না তো কোনও আইনি জটিলতায়? এমন নানা চিন্তায় মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন আকসার।

মঙ্গলবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন আকসার। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় তাঁর। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েই এই মৃত্যু। মৃতের আত্মীয় হাসিকুল মণ্ডলের কথায়, ‘‘নোটিস আসার পর থেকেই আকসার খালি বলছিল, আমাদের যদি নাম কাটা যায় তবে কোথায় যাব? এই চিন্তাই ওকে শেষ করে দিল।’’

আকসারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নওদাপাড়া গ্রামে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এই আতঙ্ক আরও প্রবল আকার ধারণ করেছে। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছোন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার জানানো হচ্ছে, এসআইআর একটি সাধারণ প্রক্রিয়া। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কিন্তু প্রশাসনের সেই বার্তা কি গ্রামীণ এলাকায় সরাসরি পৌঁছোচ্ছে, উঠছে প্রশ্ন।

SIR Death
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy