Advertisement
E-Paper

নবান্ন অভিযান

তৃণমূল নেতাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য! হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে এ বার কমিশনে নালিশ শাসকদলের

তৃণমূলের যুক্তি, নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী কোনও প্রার্থীর ব্যক্তিগত জীবন বা চরিত্র নিয়ে আক্রমণ করা যায় না। চিঠিতে দ্রুত হুমায়ুনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছে শাসক দল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:০৪
হুমায়ুন কবীর।

হুমায়ুন কবীর। — ফাইল চিত্র।

নির্বাচনের আগে জেলায় জেলায় বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। আর সেই আবহেই আবার বিতর্কের কেন্দ্রে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তাঁর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য এবং খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে এ বার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের দাবি, হুমায়ুন পরিকল্পিত ভাবে ভোটের পরিবেশ কলুষিত করার চেষ্টা করছেন।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা গিয়েছে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বেলডাঙা-২ ব্লকের মইনুল হক রানাকে নিয়ে কুকথা বলছেন হুমায়ুন। তৃণমূলের আরও অভিযোগ, ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে দলীয় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর ব্যক্তিগত সচিব সুমিত রায় এবং দলের অন্যান্য পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য করেছেন হুমায়ুন। এমনকি, তাঁকে খুনের হুমকি দিতেও শোনা গিয়েছে বলে অভিযোগ (আনন্দবাজার ডট কম যদিও ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি)।

তৃণমূলের যুক্তি, নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী কোনও প্রার্থীর ব্যক্তিগত জীবন বা চরিত্র নিয়ে আক্রমণ করা যায় না। চিঠিতে দ্রুত হুমায়ুনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছে শাসক দল। উল্লেখ্য, হুমায়ুনের বিরুদ্ধে এর আগে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়াও একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই সময় নির্বাচন কমিশন হুমায়ুনকে সতর্ক করে জানিয়েছিল, ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের মন্তব্য থেকে তিনি বিরত থাকেন।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Humayun Kabir
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy