নির্বাচনের আগে জেলায় জেলায় বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। আর সেই আবহেই আবার বিতর্কের কেন্দ্রে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তাঁর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য এবং খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে এ বার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের দাবি, হুমায়ুন পরিকল্পিত ভাবে ভোটের পরিবেশ কলুষিত করার চেষ্টা করছেন।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা গিয়েছে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বেলডাঙা-২ ব্লকের মইনুল হক রানাকে নিয়ে কুকথা বলছেন হুমায়ুন। তৃণমূলের আরও অভিযোগ, ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে দলীয় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর ব্যক্তিগত সচিব সুমিত রায় এবং দলের অন্যান্য পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য করেছেন হুমায়ুন। এমনকি, তাঁকে খুনের হুমকি দিতেও শোনা গিয়েছে বলে অভিযোগ (আনন্দবাজার ডট কম যদিও ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি)।
আরও পড়ুন:
তৃণমূলের যুক্তি, নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী কোনও প্রার্থীর ব্যক্তিগত জীবন বা চরিত্র নিয়ে আক্রমণ করা যায় না। চিঠিতে দ্রুত হুমায়ুনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছে শাসক দল। উল্লেখ্য, হুমায়ুনের বিরুদ্ধে এর আগে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়াও একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই সময় নির্বাচন কমিশন হুমায়ুনকে সতর্ক করে জানিয়েছিল, ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের মন্তব্য থেকে তিনি বিরত থাকেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৬:৫৯
আজ আমার চেয়ে খুশি কেউ নয়! বাতিল ভোটার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে উচ্ছ্বসিত মমতা, দলের কর্মীদের বিশেষ নির্দেশ -
১৬:২৫
ভবানীপুর শুভেন্দুকে জেতালে বাড়ি কিনে বিধায়ক কার্যালয় গড়ে পরিষেবা দেব, জানিয়ে দিলেন পিতা শিশির -
১৫:৫০
ভোটের দু’দিন আগে ট্রাইবুনাল ছাড়পত্র দিলেও ভোট দেওয়া যাবে! বাতিল ভোটারদের নিয়ে রায় জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট -
১৫:৩২
‘বদলি এই প্রথম নয়’! রাজ্যের আধিকারিক-অপসারণ নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্টও -
১৪:২০
‘মিথ্যা কথা বলার আগে ভাল করে যাচাই করুন, প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারটাকে তো সম্মান করুন’! মোদীকে আক্রমণ মমতার