Advertisement
E-Paper

নদিয়ার পঞ্চায়েতের কাজ দেখল বাংলাদেশের দল

পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রয়োগে পশ্চিমবঙ্গের থেকে এগিয়ে কেরল। দুই রাজ্য ঘুরে শুক্রবার নদিয়ায় এসে এমনই মত প্রকাশ করলেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অগস্ট ২০১৫ ০১:২৪
শুক্রবার কৃষ্ণনগরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে নদিয়া জেলা প্রশাসনের কর্তারা। —নিজস্ব চিত্র।

শুক্রবার কৃষ্ণনগরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে নদিয়া জেলা প্রশাসনের কর্তারা। —নিজস্ব চিত্র।

পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রয়োগে পশ্চিমবঙ্গের থেকে এগিয়ে কেরল। দুই রাজ্য ঘুরে শুক্রবার নদিয়ায় এসে এমনই মত প্রকাশ করলেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

ত্রি-স্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় প্রতিবেশী দেশ ভারত কেমন করে কাজ করছে, সেই পাঠ নিয়ে নিজেদের দেশের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নত করার উদ্দেশে এ দেশে এসেছিলেন বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল। এর আগে তাঁরা গিয়েছিলেন কেরলে। সেখানকার পঞ্চায়েত ব্যবস্থা কাছ থেকে দেখে তাঁরা এতটাই উচ্ছ্বসিত যে শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে রাখঢাক না রেখেই পরিষ্কার জানিয়ে দেন, কেরলের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা পশ্চিমবঙ্গের থেকে অনেকটাই উন্নত। সেখানকার বহু পঞ্চায়েতের নিজস্ব আয় বছরে প্রায় দু’কোটি টাকা। পঞ্চায়েতগুলি ছেলেমেয়েদের অলিম্পিকে পাঠানোর প্রশিক্ষণও দেয়।

প্রতিনিধি দলটি প্রশংসা করেছে নদিয়া জেলারও। প্রতিনিধি দলের দলনেতা বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মহম্মদ সেফাউল আলম বলেন, ‘‘নদিয়ার পঞ্চায়েতগুলি কেরলের মতো সচ্ছ্বল নয়। তবে সীমিত সম্পত্তি ব্যবহার করে এই জেলাও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।’’ কেন নদিয়াকে বেছে নেওয়া?

নদিয়া যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে প্রথম তাই এখানে আসা, জানালেন তাঁরা। এক সদস্য বলেন, ‘‘আমরা দেখতে চেয়েছি নদিয়া কী ভাবে উন্নতি করল। তা বুঝে নিজেদের দেশে প্রয়োগ করার চেষ্টা করব।’’ তাঁর কথায়, শৌচালয় তৈরিতে ও আর্সেনিক প্রতিরোধে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। সরকার ও এনজিও গুলি যৌথ ভাবে কাজ করে সেই সাফল্য এসেছে। জনসাধারণকে সচেতন ও শিক্ষিত করতে পারলেই সমাজের সার্বিক উন্নতি হয় মনে করেন প্রতিনিধি দলের অনেকেই। পঞ্চায়েতের মাধ্যমে কী ভাবে স্থায়ী সম্পদ তৈরি করা হয়, বেকারদের কী ভাবে স্বনির্ভর করে তোলা যায়, মাছ, পোলট্রি ফার্ম-সহ একাধিক ক্ষেত্রে কী ভাবে সাফল্য আসে সে শিক্ষা ভারত সফরে এসে পেয়েছেন বলে সাংবাদিক বৈঠকে জানান।

প্রতিনিধি দলটি উচ্ছ্বসিত পলি হাউসের মাধ্যমে পেঁয়াজ চাষে। বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব জানালেন, দেশ পেঁয়াজ চাষে স্বনির্ভর নয়। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। তিনি বলেন, ‘‘এটা আমরা ভাবতেই পারিনি যে বর্ষাকালেও পেঁয়াজ চাষ হতে পারে। নদিয়ায় এসে পলি হাউসের মাধ্যমে এই চাষের শিক্ষা পেলাম।’’

বৈঠক শেষে নদিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি বাণীকুমার রায় জানান, বাংলাদেশ কী কী বিষয়ে উন্নত তা দেখতে নদিয়া জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও প্রতিবেশী রাষ্ট্রে যাওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘‘সমন্বয়ের মাধ্যমে এ ভাবেই সকলের উন্নতি সম্ভব।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy