Advertisement
E-Paper

জাল নোট পাচার চক্রে ধৃত ৬

জালনোট পাচারকারী সন্দেহে ৬ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। মালদহের রতুয়ার নুরপুর ব্যারাজ এলাকা থেকে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ তাদের পাকড়াও করে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ছ’ লক্ষ জাল টাকা। ধৃতদের ব্যবহৃত একটি ছোট গাড়িও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০১৫ ০৩:৩২
উদ্ধার হওয়া ছ’লক্ষ টাকার জাল নোট। —নিজস্ব চিত্র।

উদ্ধার হওয়া ছ’লক্ষ টাকার জাল নোট। —নিজস্ব চিত্র।

জালনোট পাচারকারী সন্দেহে ৬ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। মালদহের রতুয়ার নুরপুর ব্যারাজ এলাকা থেকে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ তাদের পাকড়াও করে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ছ’ লক্ষ জাল টাকা। ধৃতদের ব্যবহৃত একটি ছোট গাড়িও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বাংলাদেশ থেকে ওই টাকা নিয়ে আসার পর মালদহের পাশাপাশি বিহার ও ঝাড়খন্ডে তা পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এদিন চাঁচল মহকুমা আদালতে তোলা হলে ধৃতদের দু’ দিনের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন কালিয়াচক এলাকার তৃণমূলের এক প্রাক্তন প্রধানের ঘনিষ্ঠ বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে ওই প্রধানকে দলবিরোধী কাজের জন্য মাস ছয়েক আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে দাবি করা হয়েছে!

চাঁচলের এসডিপিও রানা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধৃতদের দু’দিনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে কালিয়াচক ছাড়াও ঝাড়খন্ডেরও কয়েকজন রয়েছে।’’

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধৃতরা হল কালিয়াচক থানা এলাকার রাবিউল শেখ, রহমান শেখ, ঝাড়খন্ডের বাদল শেখ, শের আলি, মনোজ নম্ডল ও হরিশ্চন্দ্রপুরের তাপস ঘোষ! এদিন সকালে একটি বোলেরো গাড়িতে চেপে মালদহের দিক থেকে রতুয়ার দিকে যাওয়ার সময় টহলদারী পুলিশ তাদের আটকায়! প্রথমে তারা কুশিদা হাটে গরু কিনতে যাচ্ছে বলে দাবি করে! কিন্তু সন্দেহ হওয়ায় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছে থেকে ৬০০টি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়!

পুলিশ জানায়, ধৃতরা বাংলাদেশ থেকে ওই টাকা নিয়ে আসছিল। তাদের কাছে আরও প্রচুর জাল টাকা রয়েছে বলে সন্দেহ করছে পুলিশের। সেই টাকা অন্যত্র রেখে ছয় লক্ষ টাকা নিয়ে তারা পাচারের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে থাকতে পারে।

এদের মধ্যে ধৃত রাবিউল শেখ কালিয়াচক থানার মহব্বতপুর এলাকার বাসিন্দা। চরিঅনন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান ও বর্তমানে সদস্য মতিউর রহমানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রেই জানা গিয়েছে। মতিউর রহমান অবশ্য দাবি করেন যে, তাঁর সঙ্গে রাবিউলের কখনওই ঘনিষ্ঠতা ছিল না। তবে সে তৃণমূলের সমর্থক ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

জেলা তৃণমূল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘‘দলীয় স্তরে খোঁজ নিয়ে জেনেছি যে রাবিউল স্থানীয় প্রধানের ঘনিষ্ঠ ছিল। প্রধানকেই দল বিরোধী ও অসামাজিক কাজের জন্য কয়েক মাস আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে। ফলে ধৃত রাবিউলের সঙ্গে তৃণমূলের যোগসূত্র খোঁজা অর্থহীন।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy