Advertisement
E-Paper

পৃথক জেলার ইঙ্গিতে বিতর্ক

আলিপুরদুয়ার পৃথক জেলার মর্যাদা পাবে বলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফালাকাটার জটেশ্বরের সভায় জানিয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে আলিপুরদুয়ারে এসে কার্যত একই কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এবার জেলা ঘোষণার কথা তিনি সরাসরি বলেননি। শনিবার আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডের জেলা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুধু বলেছেন, “আপনার চান জলপাইগুড়ি আর আলিপুরদুয়ার নিজের মত করে কাজ করুক। তার পদ্ধতি চলছে।”

নিলয় দাস ও নারায়ণ দে

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০১৪ ০২:৪৩

আলিপুরদুয়ার পৃথক জেলার মর্যাদা পাবে বলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফালাকাটার জটেশ্বরের সভায় জানিয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে আলিপুরদুয়ারে এসে কার্যত একই কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এবার জেলা ঘোষণার কথা তিনি সরাসরি বলেননি। শনিবার আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডের জেলা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুধু বলেছেন, “আপনার চান জলপাইগুড়ি আর আলিপুরদুয়ার নিজের মত করে কাজ করুক। তার পদ্ধতি চলছে।”

মুখ্যমন্ত্রীর কথায় মন ভরেনি সভায় আসা তৃণমূল কর্মী ও নেতাদের অধিকাংশেরই। দলের কয়েকজন নেতার কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী পৃথক জেলার বিষয়টি স্পষ্টভাবে বলেননি বলে বহু কর্মী অভিযোগ করছেন। তবে তিনি তাঁর বক্তব্যে যে জেলার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তা বোঝাতে বেগ পেতে হচ্ছে লোকজনকে।”

আলিপুরদুয়ার পৃথক জেলার দাবি বহু পুরনো। আরএসপি জেলার দাবিতে এক সময় আন্দোলন করলেও বড় শরিক দল সিপিএম তা না মানায় জেলা গঠন করার আন্দোলন সে সময় কার্যকর হয়নি। পরবর্তীতে ক্ষমতা হারানোর পর বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বছর দুয়েক আগে ধূপগুড়িতে এসে আলিপুরদুয়ারকে পৃথক জেলা করার সমর্থন করেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সভার শেষে আরএসপি-র জেলা সম্পাদক সুনীল বণিক গোটা বিষয়টিকে নির্বাচনী চমক বলে অভিযোগ করেছেন। আলিপুরদুয়ারের কংগ্রেস বিধায় দেবপ্রসাদ রায়ের অভিযোগ, “মানুষ ইঙ্গিতে বিশ্বাস করেন না। প্রতারিত হতে চান না। কংগ্রেস প্রার্থী এই দায়বদ্ধতা পালন করবেন।”

Advertisement

তবে আলিপুরদুয়ারের লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী দশরথ তিরকে এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “নির্বাচনী আচরণন বিধি ভঙ্গ হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী পৃথক জেলার কথা উচ্চারণ করেননি। মানুষ তা বুঝেছেন।” এদিন সভায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, পাহাড়, ডুয়ার্স ভাগ হতে দেননি। চা শ্রমিকদের মজুরি তাঁর উদ্যোগেই বেড়েছে। তিনি বলেন, “আমি বারবার উত্তরবঙ্গে এসেছি। ঘরের মেয়ের মত হয়ে গিয়েছি। ঘরের মেয়ের আবদার রাখবেন না? অনুগ্রহ করে আমাদের প্রার্থীকে জিতিয়ে দেন।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy