তিন জনের জন্মের ব্যবধান মাত্র কয়েক সেকেন্ডের। একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, পড়াশোনাও একই স্কুলের একই ক্লাসে। এ বার একই সঙ্গে মাধ্যমিকেও পাশ করল পশ্চিম মেদিনীপুরের তিন যমজ ভাই সাগ্নিক, সম্রাট ও সৈকত। খয়েরুল্লাচক নেতাজি বিদ্যামন্দিরের তিন ছাত্রের প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৫৯৭, ৬২৭ এবং ৫৮৫।
২০০৮ সালে জন্ম হয়েছিল তিন যমজের। ডাক্তারি পরিভাষায় যাকে বলা হয় ট্রিপলেট। বাবা প্রবীর দাশগুপ্ত স্বাস্থ্য দফতরের কর্মী। মা মনিকা দাশগুপ্ত গৃহবধূ। যমজ তিন ভাই এ বার একই সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল। সিটও পড়েছিল একই পরীক্ষাকেন্দ্রের একই ঘরে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সম্রাট ৬২৭, সৈকত ৫৮৫ এবং সাগ্নিক ৫৯৭ নম্বর পেয়ে পাশ করেছে। তিনজনেই চায় ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে। তবে তিন সন্তানকে একসঙ্গে কী ভাবে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াবেন, তা নিয়ে এখন চিন্তায় পরিবার।
আরও পড়ুন:
মনিকার কথায়, ‘‘তিন ছেলেই পড়াশোনায় ভাল ছিল। মাধ্যমিকেও ভাল ফল করেছে। বিজ্ঞান নিয়ে পড়বে বলে এর মধ্যেই পড়াশোনা শুরু করে দিয়েছে। তিন ভাই পড়াশোনা থেকে খেলাধুলা, সব কিছু একসঙ্গেই করে। তিনজনের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়াও রয়েছে।’’ সাগ্নিক, সম্রাট ও সৈকতকে দু’জন গৃহশিক্ষক পড়াতেন। পাশাপাশি, বাবা-মাও সাহায্য করতেন পড়াশোনায়। পড়াশোনার পাশাপাশি আঁকতে ভালোবাসে সাগ্নিক। বাকি দুই ভাইয়ের সেদিকে অত আগ্রহ না থাকলেও তিনজনেই পড়াশোনায় বেশ মনোযোগী। তবে পাশ করে কী বলছে তিন ভাই? খুব খুশি, কিন্তু তিনজনের নম্বরের ফারাক দেখে কিছুটা হতাশ তারা!
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রেগুলার পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৮৩ জন। পাশের হার ৮৬.৫৬ শতাংশ। যা গতবছরের তুলনায় বেশি। প্রথম দশে রয়েছে ৬৬ জন পরীক্ষার্থী।
- ২ মে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হল ২০২৫-এর মাধ্যমিক ফলাফল। এ বার ৬৯ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করা হয়েছে। চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১০ ফেব্রুয়ারি। শেষ হয় ২২ ফেব্রুয়ারি। পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪২৫ জন।
-
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কলকাতার কৃতী ফোন থেকে দূরে, সমাজমাধ্যমে নেই কোনও অ্যাকাউন্ট
-
মাধ্যমিকে নম্বর বাড়তে পারে? স্ক্রুটিনি এবং রিভিউ কী ভাবে করাতে হবে জানাল পর্ষদ
-
প্রথম দশে ৬৬, কলকাতার মাত্র এক, শিক্ষকদের সাফল্য উৎসর্গ ‘ফার্স্ট’ আদৃত সরকারের
-
অভাবের সংসারে আলোর হদিস দিল সুন্দরবনের দিশা, মাধ্যমিকে প্রাপ্ত নম্বর ৬১৩
-
চাকরিহারা শিক্ষকদের পাশে মাধ্যমিকে দশম স্থান পাওয়া রাহুল, ফেরাতে চায় দেশের অর্থনৈতিক হাল