Advertisement
E-Paper

সামরিক সংঘাতের জেরে পশ্চিম এশিয়া জুড়ে এখনও পর্যন্ত বাতিল ৪০ হাজার বিমান! ৫০ শতাংশ বেড়েছে চার্টার্ড বিমানের চাহিদা

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ার একটা বিশাল অংশ জুড়ে আকাশসীমা বন্ধ। তার মধ্যে রয়েছে ইরান, ইরাক, সিরিয়া, বাহরিন এবং কুয়েত। তবে আংশিক চালু রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কাতারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ১২:২৭
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতারের মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে লাগাতার হামলা চালানোর অভিযোগ উঠছে ইরানের বিরুদ্ধে। সামরিক সংঘাতের এই পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে অসামরিক বিমান পরিবহণ পরিষেবায় ব্যাপক ভাবে প্রভাব পড়েছে। আকাশসীমা বন্ধ করতে হয়েছে অনেক দেশকেই। ফলে এখনও পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়া জুড়ে ৪০ হাজার বিমান বাতিল হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর।

প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের। এক সপ্তাহের ও বেশি সময় কেটে গিয়েছে, সংঘাত থামার লক্ষণ তো নেই-ই, বরং হামলা আরও জোরালো হচ্ছে দু’তরফেই। ইজ়রায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার ‘ঘনিষ্ঠ’ দেশগুলিতেও হামলা চালাচ্ছে ইরান। সেখানে মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে লাগাতার হামলা চলছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলি ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইচ্ছাকৃত’ ভাবে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েতের মতো দেশগুলির অভিযোগ, কোনও রকম সতর্কবার্তা ছাড়াই তাদের নিশানা বানানো হচ্ছে। উপসাগরীয় দেশগুলির দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে এই সংঘাতে তারা নিজেদের জড়ায়নি। কিন্তু তার পরেও ইরান লাগাতার হামলা চালাচ্ছে বলে সরব হয়েছে ওই অঞ্চলের দেশগুলি।

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা সামরিক সংঘাতের জেরে বিমান পরিষেবা বিপুল ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ার একটা বিশাল অংশ জুড়ে আকাশসীমা বন্ধ। তার মধ্যে রয়েছে ইরান, ইরাক, সিরিয়া, বাহরিন এবং কুয়েত। তবে আংশিক চালু রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কাতারে। তবে উড়ানসংখ্যা খুবই কম।

পশ্চিম এশিয়া জুড়ে উড়ানসঙ্কট তৈরি হওয়ায় সেখানে চার্টার্ড বিমানের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। এমনই দাবি করা হয়েছে নিউজ় ১৮-এর এক প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের আবহে চার্টার্ড বিমানের চাহিদা ৫০ শতাংশ বেড়েছে। চার্টার্ড বিমান পরিচালনা করে এমন সংস্থাগুলির দাবি, হঠাৎ করেই এই বিমানের চাহিদা বেড়েছে। তার সঙ্গে ভাড়াও আকাশছোঁয়া হচ্ছে। যুদ্ধের আবহে পশ্চিম এশিয়া থেকে অনেকেই বেরিয়ে আসতে চাইছেন। তার জন্য বেশি টাকা খরচ করেও এই ঝুঁকি নিচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্লাউড রানার অ্যাভিয়েশনের সিইও সঞ্জীব শেট্টী জানিয়েছেন, চার্টার্ড বিমানের চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু যেহেতু এই পরিষেবাতেও বেশ কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে, তাই সব চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর কথায়, ‘‘বেশ কয়েকটি কারণে এই বিমানের চাহিদা বাড়ছে। স্বাভাবিকের তুলনায় তাই ৫০ শতাংশ চাহিদা বেড়েছে।’’ শেট্টী আরও জানিয়েছেন, দুবাই থেকে ভারতে আসার জন্য মাঝারি আকারের চার্টার্ড বিমান ভাড়া ৭০ হাজার ডলার থেকে এক লক্ষ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অনেকেই সেই ভাড়া দিয়েও যুদ্ধকবলিত এলাকা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।

Flight Services
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy