Advertisement
E-Paper

বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইদের ছুটি এগিয়ে দিল তারেক সরকার! বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বাঁচাতেই সঙ্কটকালে পদক্ষেপ

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সরু হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। তার ফলে অন্য দেশগুলির মতো জ্বালানি-আশঙ্কায় বাংলাদেশও।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩১
Bangladesh shuts universities early to save power amid energy crisis

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। — ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ইদের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিল সে দেশের সরকার। সোমবার থেকেই সরকারি, বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়েছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা নয়, দেশের জ্বালানি ভান্ডার সংরক্ষণ করতে বেশ কিছু পদক্ষেপও করেছে তারেক রহমানের সরকার।

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের রেশ পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। মূলত জ্বালানি সঙ্কটের কারণে প্রমাদ গুনছে দেশগুলি। কী ভাবে এই পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করা যায়, বিভিন্ন দেশ নিজেদের মতো করে সেই সমাধানের পথ খুঁজছে। সেই আবহে বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রক একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। সেই নির্দেশিকায় ইদের ছুটি এগিয়ে আনার কথা জানানো হয়েছে। আগের সূচি অনুযায়ীই ছুটির পর নির্দিষ্ট দিনে বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে।

কেন এই সিদ্ধান্ত তা-ও নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে বর্তমান যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সঞ্চয় অত্যন্ত জরুরি। সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সেই দায়িত্ব নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলে অনেক পরিমাণ বিদ্যুৎ সঞ্চয় হবে শুধু তা-ই নয়, রাস্তায় যানজটও কমবে। আর যানজট কম হলে জ্বালানিও বাঁচবে।

জ্বালানি বা বিদ্যুৎ সঞ্চয় করার জন্য আরও কয়েকটি পরামর্শ ও নির্দেশ জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে, বৈদ্যুতিক আলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে দেশবাসীকে। এ ছাড়াও, অফিসগুলিতে বৈদ্যুতিন ব্যবস্থা ব্যবহারে রাশ টানার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) ব্যবহারও সীমিত করে বিদ্যুৎ সঞ্চয়ের পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সরু হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। প্রতি দিন গোটা বিশ্বে যত তেল রফতানি হয়, তার ২০ শতাংশই যায় এই হরমুজ় প্রণালী হয়ে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় প্রণালীর দুই ধারে দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন দেশের অসংখ্য জাহাজ এবং তেলবাহী ট্যাঙ্কার। অপরিশোধিত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের অধিকাংশই বাংলাদেশ রফতানি করে। হরমুজ় প্রণালী বন্ধ হওয়ায় অন্য দেশের মতো বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশও। অন্য দেশগুলির মতো অদূর ভবিষ্যতে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কাও করছে তারেকের সরকারও। বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রকের এক ঊর্ধ্বতন কর্তাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলেছে, ‘‘আমাদের সরকার জ্বালানি ও বিদ্যুতের খরচ কমাতে এবং তার জোগান নিশ্চিত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।’’

Energy Crisis US-Iran Conflict
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy