Advertisement
E-Paper

নবান্ন অভিযান

ইরান হরমুজ় প্রণালী খুলে দেওয়ার পরেই এক ধাক্কায় দাম কমল অপরিশোধিত তেলের! এক ব্যারেলের দাম এখন কত

ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক্স অ্যাকাউন্টে জানান, লেবাননে আর যে ক’দিন যুদ্ধবিরতি চলবে, সেই দিনগুলিতে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে সব জাহাজ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ০১:১২

— প্রতীকী চিত্র।

ইরান হরমুজ় প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণা করতেই কমল অপরিশোধিত তেলের দাম। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ। শুক্রবার ভারতে যখন রাত প্রায় ১০টা, তখন এক ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম হয়েছে ৮৮.৯৭ মার্কিন ডলার (ব্রেন্টের মানদণ্ডে)। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৮০০০ টাকা।

ইরানের যুদ্ধপরিস্থিতিতে অপরিশোধিত তেলের দাম বিশ্বের বাজার ক্রমেই বেড়েছে। ১০ মার্চ থেকে ধাক্কা খেয়েছে অপরিশোধিত তেলের ব্যবসা। ৮ এপ্রিল থেকে তা আরও মন্দার মুখ দেখেছে। শুক্রবার ইরানের ঘোষণার পরেই এক ধাক্কায় অনেকটাই কমেছে তেলের দাম।

ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক্স অ্যাকাউন্টে জানান, লেবাননে আর যে ক’দিন যুদ্ধবিরতি চলবে, সেই দিনগুলিতে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে সব জাহাজ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ইরান এবং ইজ়রায়েলের মধ্যে ১০ দিনের সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করেন। তার পরেই শুক্রবার ইরান বাণিজ্যিক জাহাজের হরমুজ় পারাপার করা নিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানাল। ট্রাম্পও ইতিমধ্যে হরমুজ় ‘পুরোপুরি খুলে যাওয়া’ নিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তিনি ধন্যবাদও জানিয়েছেন ইরানকে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার সময় থেকে এই হরমুজ় অবরুদ্ধ থাকায় পশ্চিম এশিয়া থেকে জ্বালানি নিয়ে বিভিন্ন দেশে জাহাজ চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল। এলপিজি, অপরিশোধিত তেল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল ভারত-সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। ইরানের এই ঘোষণার পরেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে অনেকটাই। স্বস্তি ফিরেছে বহু দেশে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy