Advertisement
E-Paper

শান্তিবৈঠকের প্রস্তুতির মাঝেই পশ্চিম এশিয়ায় আরও সেনা মোতায়েন করছে আমেরিকা! পাঠানো হচ্ছে আরও দুই রণতরী

শান্তিবৈঠকের আগে ট্রাম্প একের পর এক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কখনও বলেছেন, ইরানের হাতে আর কোনও রাস্তা নেই। এই শান্তিবৈঠকের জন্যই ওরা পৃথিবীতে টিকে রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১৬
পশ্চিম এশিয়ায় আরও সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকা। প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিম এশিয়ায় আরও সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকা। প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ইরানের সঙ্গে শান্তিবৈঠকের চূড়ান্ত প্রস্তুতির মাঝেই পশ্চিম এশিয়ায় আরও সেনা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু কে দিল আমেরিকা। ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নিতে চলেছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শান্তিবৈঠক হবে। সেখানে ইতিমধ্যেই দু’দেশের প্রতিনিধি দল পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু শান্তিবৈঠক শুরু আগেই বিবিন্ন সংবাদংমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, পশ্চিম এশিয়ায় আরও সেনা পাঠাতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রশ্ন জোরালো হতে শুরু করেছে, তা হলে কি এই বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কাতেই ট্রাম্পের এই প্রস্তুতি?

শান্তিবৈঠকের আগে ট্রাম্প একের পর এক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কখনও বলেছেন, ইরানের হাতে আর কোনও রাস্তা নেই। এই শান্তিবৈঠকের জন্যই ওরা পৃথিবীতে টিকে রয়েছে। আবার কখনও বলেছেন, যে ভাবেই হোক হরমুজ় প্রণালী দখলমুক্ত করে ছাড়বেন। তা সে ইরান থাকুক বা না থাকুক। ফলত, শান্তিবৈঠকের আগে থেকেই একটা উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়েছে। আর তা থেকেই অনেকের ধারণা, আমেরিকা যদি ইরানের শর্ত মানতে রাজি না হয়, তা হলে ফের সামরিক সংঘাতের রাস্তায় নামতে পারে দুই দেশ। আর সেটা আঁচ করতে পেরেই ইরানে আরও সেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরও যুদ্ধবিমান ইতিমধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় পাঠিয়েছে আমেরিকা। এ ছাড়াও মার্কিন সেনা ৮২ এয়ারবোর্ন ডিভিশনের ১৫০০-২০০০ সেনাও খুব শীঘ্রই ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, মার্কিন রণতরী ইউএসএসজর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস বক্সা ১১ মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট নিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে রওনা হয়েছে। ওই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। সেই সংখ্যা ৫০ হাজারও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, যদি কোনও ভাবে আলোচনা ব্যর্থ হয়, তা হলে সেনা অভিযান ছাড়া আর কোনও পথ খোলা থাকবে না। ফলে ইরান-আমেরিকার সম্পর্ক কোন দিকে গড়াবে তা নিয়েই বিশ্বমহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

Advertisement
US
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy