Advertisement
E-Paper

হরমুজ়ে সন্ধ্যা থেকেই অবরোধ! কাদের জাহাজ আটকাবে মার্কিন সেনা? কারা ছাড় পাবে? বিবৃতি ট্রাম্পের বাহিনীর, পাল্টা ইরানের

হরমুজ় প্রণালীতে অবরোধের হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সোমবার সন্ধ্যা থেকেই তা কার্যকর করা হবে বলে মার্কিন সেনা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে। কারা ছাড় পাবে, তা-ও জানানো হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৪২
হরমুজ় প্রণালীতে অবরোধের হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

হরমুজ় প্রণালীতে অবরোধের হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সোমবার সন্ধ্যা থেকেই হরমুজ় প্রণালীতে ‘অবরোধ’ শুরু করবে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর রবিবার ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, সোমবার থেকেই সেই অবরোধ শুরু হবে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে হরমুজ়ে পণ্য পরিবহণকারী সমস্ত জাহাজ আটকাবে আমেরিকা। তবে কারা ছাড় পাবে? তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের নির্দেশের পর আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, হরমুজ়ে অবরোধ নিরপেক্ষ ভাবে সকল দেশের উপরেই প্রয়োগ করা হবে। যে সমস্ত জাহাজ ইরানের কোনও না কোনও বন্দরে প্রবেশ করার চেষ্টা করবে বা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করবে, সেগুলিকেই আটকানো হবে। আরব উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের ইরানি বন্দরগুলির ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে। তবে ইরানের বন্দরের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না-রেখে যে জাহাজগুলি হরমুজ় দিয়ে যাতায়াত করবে, তাদের বাধা দেবে না মার্কিন সেনা। তাদের জলপথে যাতায়াতের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হবে না। মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিক একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাবিকদের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে দেওয়া হবে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানকে শুল্ক দিয়ে যে সমস্ত দেশ হরমুজ় প্রণালী ব্যবহার করছে, তাদের বিরুদ্ধে তিনি পদক্ষেপ করবেন। সেই ভাবনা থেকেই অবরোধ শুরু করা হচ্ছে। হরমুজ় প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহণের জন্য ইরানকে শুল্ক দেওয়া ‘বেআইনি’ বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকা-ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে সংঘাত শুরুর পর হরমুজ়ের জলে যে মাইন পেতেছিল ইরানের সেনা, সেগুলিও ধ্বংস করার কাজ আমেরিকা শুরু করবে। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘যারা বেআইনি শুল্ক দেয়, তাদের কেউ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে না। আর আমাদের উপর ইরান থেকে কেউ যদি কোনও হামলা করে বা গুলি চালায়, শান্তিপূর্ণ ভাবে যাতায়াতকারী কোনও জাহাজের উপর যদি হামলা হয়, আমরা তাদের নরকে পাঠাব।’’

Advertisement

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা দিয়েছে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী। বলা হয়েছে, হরমুজ়ের দিকে কোনও সামরিক জাহাজ যদি এগিয়ে আসে, তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসাবে ধরা হবে এবং কঠোর ভাবে তার জবাব দেওয়া হবে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের কালিবাফ আমেরিকার উদ্দেশে বলেছেন, ‘‘তোমরা যদি যুদ্ধ করো, আমরাও করব। তোমরা যদি যুক্তি নিয়ে এগিয়ে আসো, আমরাও যুক্তি দিয়ে বিবেচনা করব।’’

শনিবার ইসলামাবাদে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছিলেন আমেরিকা এবং ইরানের প্রতিনিধিরা। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের সঙ্গে কালিবাফ এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির কথাও হয়েছে। কিন্তু ২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ হয়। দু’পক্ষ যুদ্ধ নিয়ে কোনও সমঝোতায় আসতে পারেনি। গত মঙ্গলবার দু’সপ্তাহের যে যুদ্ধবিরতি ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, তা এ বার প্রশ্নের মুখে।

Strait of Hormuz Donald Trump US Israel vs Iran US forces
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy