জন্মদিনে আমাদের বাড়িতে যে খুব বেশি হুল্লোড় হয় সেটা বলা যায় না। আসলে আজকাল দেখি, জন্মদিন নিয়ে মাতামাতি হয়। কিন্তু আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন তো এই সব ছিল না। তবে বরাবরই কেক নিয়ে আসা হয়। বন্ধুরা আসত। দিদি আর আমার জন্মদিন বরাবরই এই ভাবে পালন করা হয়। আসলে দিদি তো আমার আর এক মা। ও যে খুব বেশি আড়ম্বর পছন্দ করে তা নয়।
ছোটবেলা থেকে খুব মারপিট করেছি আমরা। আসলে আমি ছোট তো। এখন মনে হয় বেশি আদুরে আমিই ছিলাম। তবে ছোট থেকেই দিদি আর ওর বন্ধুদের দলের সঙ্গে ঘুরতে চাইতাম। সবসময়ে চাইতাম ওরা যেখানে যাচ্ছে, সেখানে যেন আমাকে নিয়ে যায়। একটা মজার ঘটনা বলি। তখন তো কেশসজ্জা (হেয়ারস্টাইল) করার জন্য এখনকার মতো অনেক ধরনের জিনিস ছিল না। দিদি নিজের মতো করে আমার চুলে যা সব পরীক্ষানিরীক্ষা করত! সেই অবস্থায় স্কুলে গেলে বন্ধুরা খুব হাসাহাসি করত। আমারও হাসি পেত।
আরও পড়ুন:
এখন সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ে। অনেক দিন ক্যামেরার সামনে দেখিনি দিদিকে। খুব মিস্ করি। আমি চাই এ বার ও দারুণ একটা ছবিতে অভিনয় করুক। ওর যেন একটা খুব ভাল ‘কামব্যাক’ ছবি দেখতে পারি আমরা। আসলে ওর কিন্তু আমাদের সবার থেকে বেশি মনের জোর। আমি অনেক ক্ষেত্রে অন্যের উপর নির্ভরশীল, কিন্তু ও নয়। দিদি যে ভাবে সোলো ট্রিপ করে, আমার তো একা ঘুরতে যাওয়ার মনের জোরটাই নেই। যদি এই মনের জোরটা পেতাম তা হলে আরও ভাল হত। জন্মদিনে দিদির থেকে আমি এটা চাই।