Advertisement
E-Paper

ফ্যাটি লিভার কমাতে ৫টি রান্নার তেলে হাত দেবেন না! পরিবর্তে কোনগুলি রাখবেন হেঁশেলে

কিছু রান্নার তেলে বেশি মাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা লিভারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অন্য দিকে কিছু তেলে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, যা লিভারের উপর চাপ কমায় এবং শরীরের জন্য উপকারী।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৫৮
ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে সঠিক রান্নার তেল বেছে নিন।

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে সঠিক রান্নার তেল বেছে নিন। ছবি: সংগৃহীত।

ফ্যাটি লিভার এখন আর বিরল কোনও সমস্যা নয়। অনেকেই অজান্তে এই রোগে ভুগছেন। কিন্তু সঠিক খাবার বেছে নিলে এই অবস্থাকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে রান্নার তেল বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সচেতন হলেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে। ফ্যাটি লিভার মূলত তখনই হয়, যখন লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে। এই অবস্থার নেপথ্যে থাকে অস্বাস্থ্যকর খাবার, বেশি তেল-মশলা, প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং অনিয়মিত জীবনযাপন। তাই চিকিৎসকদের মতে, দৈনন্দিন রান্নার তেলের দিকে নজর দেওয়া উচিত।

সব তেল এক রকমের নয়। কিছু তেলে বেশি মাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা লিভারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অন্য দিকে কিছু তেলে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, যা লিভারের উপর চাপ কমায় এবং শরীরের জন্য উপকারী। রান্নার জন্য তেমনই স্বাস্থ্যকর তেল বেছে নেওয়া খুব দরকার। নয়তো ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।

কোন তেল খাওয়া উচিত, কোন তেল নয়?

কোন তেল খাওয়া উচিত, কোন তেল নয়? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

রান্নার তেলের ক্ষেত্রে কোন উপায়ে লিভারের যত্ন নেওয়া যায়?

Advertisement

একই তেল বার বার ব্যবহার না করে তেল বদলে বদলে ব্যবহার করা ভাল। যেমন সর্ষের তেল, অলিভ অয়েল, সূর্যমুখী তেল— এই ধরনের তেল পালা করে ব্যবহার করলে শরীর বিভিন্ন ধরনের উপকারী ফ্যাট পায়। বিশেষ করে অলিভ অয়েলে থাকা মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট লিভারের জন্য ভাল বলে ধরা হয়। এটি শরীরে খারাপ চর্বি কমাতে সাহায্য করে এবং প্রদাহ কমানোতেও ভূমিকা পালন করতে পারে। অন্য দিকে, ডিপ ফ্রাই অর্থাৎ ছাঁকা তেলে রান্না বা বার বার তেল গরম করা, এই অভ্যাসগুলি এড়িয়ে চলা খুবই জরুরি। কারণ, এতে তেলের গুণ নষ্ট হয় এবং ক্ষতিকর উপাদান তৈরি হয়, যা লিভারের ক্ষতি বাড়াতে পারে। তবে শুধু তেল বদলালেই হবে না, পরিমাণের দিকেও নজর রাখতে হবে। কম তেলে রান্না করা, হালকা খাবার খাওয়া এবং অতিরিক্ত ভাজাভুজি এড়িয়ে চলাই ভাল।

কোন তেলের কী বৈশিষ্ট্য?

একস্ট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল: প্রদাহনাশী গুণের জন্য সুপরিচিত এই তেল। একস্ট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল লিভারের প্রদাহ কমাতে পারে। স্যালাড বা তরকারির উপর অল্প তেল ছড়িয়ে নিতে পারেন।

অ্যাভোকাডো তেল: পিত্তরসের স্বাভাবিক প্রবাহে সাহায্য করতে পারে এই তেল। এর ফলে শরীরের চর্বি ভাঙতে পারে। সামগ্রিক ভাবে অন্ত্রের স্বাস্থ্যরক্ষাতেও সাহায্য করে এই তেল। স্যালাডে অ্যাভোকাডো অয়েল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

কোল্ড প্রেসড সর্ষের তেল: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর এবং পিত্তরস ক্ষরণে সাহায্যকারী এই তেল হজমক্ষমতা উন্নত করতে পারে। সাধারণ খাবারও এই তেলে রান্না করা যায়। লিভারের প্রদাহ কমাতে পারে এই তেল।

তিসির তেল: উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর তিসির তেল লিভারের চর্বি ও প্রদাহ কমাতে পারে বলে দেখা গিয়েছে। তাপে না পুড়িয়ে কাঁচা হিসেবে খাবারে মিশিয়ে খাওয়া ভাল এই তেল।

তিলের তেল: এই তেলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও লিগনান লিভারের উৎসেচকগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে প্রদাহ কমাতে পারে। মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে পারে।

কোন কোন তেল বাদ দিলে ভাল?

সয়াবিনের তেল, ভুট্টার তেল, কটনসিডের তেল, গ্রেপসিডের তেল, ক্যানোলার তেল ইত্যাদি রোজের ব্যবহার থেকে বাদ দিলেই লিভারের জন্য ভাল হয়।

Fatty Liver Cooking Oil
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy