Advertisement
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Watermelon

Side Effects of Over Sleeping: অতিরিক্ত ঘুম হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে, আর কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে

কম ঘুম যেমন স্বাস্থ্যকর নয়, তেমনই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘুমও ডেকে আনতে পারে বিপদ।

বেশি ঘুমলে হৃদ্‌রোগের আশঙ্কাবৃদ্ধি ছাড়াও অন্যান্য শারীরিক সমস্যারও সৃষ্টি হয়।

বেশি ঘুমলে হৃদ্‌রোগের আশঙ্কাবৃদ্ধি ছাড়াও অন্যান্য শারীরিক সমস্যারও সৃষ্টি হয়। ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২২ ১৮:২৪
Share: Save:

কম ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। চিকিৎসকদের মতে, শরীর সুস্থ থাকতে এক জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের রোজ ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমলে নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। কম ঘুম যেমন স্বাস্থ্যকর নয়, তেমনই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘুমও শরীরের জন্য ভাল নয়। ‘ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নাল’-এ শীর্ষক গবেষণা পত্রে প্রকাশিত সমীক্ষা অনুসারে, অতিরিক্ত ঘুম স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

গবেষণা বলছে, যাঁরা প্রতি দিন ৮ ঘণ্টার বেশি ঘুমচ্ছেন দেখা গিয়েছে, মধ্য বয়সের পর থেকেই তাঁদের হৃদ্‌যন্ত্রে নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেক দিন ধরে ৮ ঘণ্টার বেশি ঘুম হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। যাঁরা ৬ ঘণ্টার কম ঘুমন, তাঁদের হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা ৫ শতাংশ বেড়ে যায়। কিন্তু যাঁরা ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমন তাঁদের ক্ষেত্রে আবার হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। বেশি ঘুমলে হৃদ্‌রোগের আশঙ্কাবৃদ্ধি ছাড়াও অন্যান্য শারীরিক সমস্যারও সৃষ্টি হয়।

বেশি সময় ধরে ঘুমিয়ে থাকা মানুষের মধ্যে ডায়াবিটিসের আশঙ্কা বেশি দেখা যায়।

বেশি সময় ধরে ঘুমিয়ে থাকা মানুষের মধ্যে ডায়াবিটিসের আশঙ্কা বেশি দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত

টাইপ ২ ডায়াবিটিস

প্রয়োজনের বেশি ঘুমলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে পারে। সমীক্ষা বলছে, যাঁরা পর্যাপ্ত ঘুমন তাঁদের তুলনায় বেশি সময় ধরে ঘুমিয়ে থাকা মানুষের মধ্যে ডায়াবিটিসের আশঙ্কা বেশি দেখা যায়।

স্থূলতা

দিনে যাঁরা ৯-১০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ঘুমন, তাঁদের মধ্যে স্থূলতার আশঙ্কা প্রায় ২১ শতাংশ বেশি। তুলনায় দৈনিক গড়ে ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমনো ব্যক্তিদের মধ্যে স্থূলতার আশঙ্কা কম।

মানসিক অবসাদ

ঘুম কম হওয়ার কারণেই মূলত অনেকে অবসাদ, উদ্বেগের সমস্যায় ভুগে থাকেন। কিন্তু সমীক্ষা বলছে, প্রায় ১৫ শতাংশ মানুষ বেশি ঘুমের কারণে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

মাথা ব্যথা

বেশি ঘুম মস্তিষ্কের সেরাটোনিন হরমোন ক্ষরণকে প্রভাবিত করে। ফলে মস্তিষ্কে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক থাকে না। মাথার ভিতরে বিভিন্ন কোষে চাপ সৃষ্টি হয়। যা মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE