কঠোর পরিশ্রমের বিনিময়ে উপার্জনের টাকা শত চেষ্টা করেও অনেকে জমাতে পারেন না। একের পর এক অকারণ খরচ লেগেই থাকে। জলের মতো টাকা খরচ হয়ে যায়। এমনকি, পরিবারে নিত্য অশান্তির পাশাপাশি ঘরে নেতিবাচক শক্তির চলাচলও বেড়ে যায়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এর কারণ হতে পারে আপনার কিছু ভুল অভ্যাস। দিনের পর দিন অজান্তেই এই অভ্যাসগুলি লালন করার কারণে দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হয়ে যান। এমনকি, আর্থিক সঙ্কটের সম্মুখীনও হতে হয়। নীচে সেই বদভ্যাসগুলি নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করা হল—
খাবারের থালায় হাত ধোয়া
খাওয়াদাওয়া শেষ হওয়ার পর অনেকেই এঁটো থালায় হাত ধুয়ে ফেলেন। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, এই কাজ করলে মা অন্নপূর্ণাকে অপমান করা হয়। এ ভাবে হাত ধুলে ঘরে সমৃদ্ধির অভাব দেখা দিতে পারে।
ছেঁড়া অন্তর্বাস পরা
বাস্তুমতে, পুরনো বা ছেঁড়া অন্তর্বাস ব্যবহার করলে সেই ব্যক্তির জীবনে শুক্র গ্রহের অশুভ প্রভাব পড়তে পারে। শুক্রকে ধনসম্পদ ও সুখ-সমৃদ্ধির কারক হিসাবে গণ্য করা হয়। মনে করা হয়, এই অভ্যাস থাকলে অর্থ সঞ্চয় করা কঠিন হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন:
ছেঁড়া চাদর ব্যবহার
ছেঁড়া এবং অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর ব্যবহার করা বাস্তুশাস্ত্রে অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। এই ধরনের চাদর ঘরে নেতিবাচক শক্তি ডেকে আনে এবং আর্থিক সমস্যাও বাড়ায়।
নোংরা বাসন জমিয়ে রাখা
অনেকেই রাতে খাওয়ার পর বাসন না মেজে ঘুমিয়ে পড়েন। বাস্তুশাস্ত্র মতে, এর ফলে সুখ-শান্তির ব্যাঘাত ঘটে। এমনকি, পেশাজীবনে উন্নতির পথে বাধা আসে।
দরজার সামনে জুতো রাখা
অনেকেই বাড়ির সদর দরজার সামনে জুতো খুলে রাখেন যা অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্মমতে, এর ফলে মা লক্ষ্মীর আগমন বাধাপ্রাপ্ত হয়।
মানিব্যাগে অপ্রয়োজনীয় কাগজ রাখা
পুরনো বিল, অপ্রয়োজনীয় কাগজ বা ধারালো জিনিস মানিব্যাগে জমিয়ে রাখা উচিত নয়। বাস্তুমতে, এর ফলে অর্থের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মানিব্যাগ থেকে দ্রুত সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন।