বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, অফিসের পরিবেশ এবং ঊর্ধ্বতনের বসার জায়গার অবস্থান অনেক সময় নেতিবাচক শক্তিকে আকর্ষণ করে। তার ফলে অকারণে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে এবং মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। চার দেওয়ালের মধ্যে দিনে আট থেকে ন’ঘণ্টা স্ক্রিনের সামনে বসে কাজ করলেও তার প্রভাব পড়ে মনে। ঊর্ধ্বতনের মেজাজ শান্ত রাখতে এবং অফিসের পরিবেশ উন্নত করতে সহজ কিছু বাস্তু নিয়ম নিয়ে নীচে বিস্তারে আলোচনা করা হল—
- অফিসে প্রাকৃতিক আলোর চলাচল না থাকলে তা মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সারা ক্ষণ কৃত্রিম আলোয় বসে কাজ করা বসের মেজাজ গরম থাকার কারণ।
- অফিসে সারা ক্ষণ শীতাতপ যন্ত্র চালু থাকার কারণে কখনও কখনও পরিবেশ খুব ঠান্ডা হয়ে যায়। আবার অফিসের কোনও সহকর্মী শীতকাতুরে হওয়ায় তাঁদের অনুরোধে শীতাতপ যন্ত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন অফিসের আবহাওয়া কম সময়ের মধ্যেই গরম হয়ে ওঠে। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, অফিসের পরিবেশ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঠান্ডা বা গরম থাকলেই তার প্রভাব পড়ে বসের মেজাজে।
আরও পড়ুন:
- কাজ করার সময় সহকর্মীরা জোরে জোরে কথা বললে অথবা বাইরে থেকে কোনও জোর শব্দ ক্রমাগত কানে আসলে তা মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- সহকর্মীদের ডেস্ক নোংরা থাকলে তা পরোক্ষ ভাবে ঊর্ধ্বতনদের মেজাজে প্রভাব ফেলে। অফিসের পরিবেশ কখনও নোংরা রাখা উচিত নয়। আবর্জনাও সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন।
- তা ছাড়াও অফিসের দেওয়ালের রং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খুব গাঢ় বা তীব্র রং অস্থিরতা বাড়াতে পারে। হালকা নীল, সাদা বা সবুজ রং মনকে শান্ত রাখে বলে মনে করা হয়।