পেশাজীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়ে হঠাৎ করে নাজেহাল হয়ে ওঠেন অনেকে। একের পর এক বাধার সম্মুখীন হন। কেরিয়ারে বাধা এবং সংসারের নিত্য অশান্তি নিয়ে জীবন মাঝেমধ্যে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এর কারণ হতে পারে কুদৃষ্টি। এর ফলে জীবনের অগ্রগতি ব্যাহত হতে শুরু করে। তবে সহজ কয়েকটি নিয়ম পালন করলে কুদৃষ্টির প্রভাব দূর করা যায় এবং জীবনে ইতিবাচকতা বৃদ্ধি পায়। নীচে সেই প্রতিকারগুলি নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করা হল—
কর্মক্ষেত্রে শত পরিশ্রম করেও তার যথাযথ ফল পাচ্ছেন না। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, কোনও সহকর্মীর কুদৃষ্টির প্রভাবে পেশাজীবনে উন্নতির পথে বাধা আসতে পারে। কুদৃষ্টির প্রভাব দূর করতে একটি পরিষ্কার কালো কাপড়ে ফটকিরি বেঁধে আপনার কর্মস্থলে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন। বিশ্বাস করা হয় যে, এই প্রতিকারটি আপনার পেশাজীবন থেকে কুদৃষ্টি দূর করতে পারে। এটি নেতিবাচক শক্তিকেও দূরে রাখে, ফলে আপনার কর্মক্ষেত্রে সমস্যা ও বাধা সরে যায়।
আরও পড়ুন:
দোকান বা কর্মস্থল থেকে কুদৃষ্টি দূর করার জন্য প্রধান ফটকের উপর একটি লেবু এবং লঙ্কা ঝুলিয়ে রাখুন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই প্রতিকারটি নেতিবাচক শক্তি দূর করে এবং কুদৃষ্টি থেকেও মুক্তি দিতে পারে। এমনকি, লেবু এবং লঙ্কা ঝুলিয়ে রাখার ফলে তা বাস্তুদোষ সংশোধনেও সাহায্য করতে পারে।
টানা কয়েক দিন হনুমান চালিশা পাঠ করলে তা কুদৃষ্টি দূর করতে এবং জীবনে ইতিবাচকতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এ ছাড়াও, আপনি‘রামায়ণ’-এর ‘সুন্দরকাণ্ড’ পাঠ করতে পারেন। পঞ্চমুখী হনুমানজির লকেট বা কবচ ধারণ করা নেতিবাচকতা কাটাতে অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করা হয়।
আরও পড়ুন:
পরিবারের কোনও সদস্য কুদৃষ্টির শিকার হলে তা দূর করার জন্য আপনার বাঁ হাতে লবণ, কয়েকটি সর্ষের বীজ এবং সাতটি আস্ত লাল লঙ্কা নিয়ে মুষ্টিবদ্ধ করুন। সেই ব্যক্তির মাথার উপর দিয়ে ঘড়ির কাঁটার দিকে সাত বার ঘুরিয়ে সেই মিশ্রণ আগুনে ফেলে দিন। মঙ্গলবার এবং রবিবার এই নিয়ম পালন করে সুফল পেতে পারেন।
শাস্ত্রমতে, কুদৃষ্টি দূর করতে প্রত্যহ নুন-জলে স্নান করতে পারেন। স্নানের জলে সামান্য রক সল্ট অথবা সৈন্ধব লবণ মিশিয়ে স্নান করলে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় বলে মনে করা হয়।