শাস্ত্রে মশলার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। হেঁশেলের এই জিনিস খাবারের স্বাদ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সৌভাগ্য বয়ে আনতেও সাহায্য করে বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। সে সংক্রান্ত নানা টোটকার কথা শাস্ত্রে বলা রয়েছে। তবে ব্যস্ত জীবনে সে সকল টোটকা সঠিক নিয়মানুসারে পালন করা সকলের পক্ষে সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। তাই ফলপ্রাপ্তিও ঘটে না। কিন্তু শাস্ত্রে থাকা সমস্ত টোটকাই যে সময়সাপেক্ষ তা কিন্তু নয়। বেশ কিছু সহজ টোটকার কথাও শাস্ত্রে বলা রয়েছে। বিশেষ কিছু মশলা যদি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বালিশের নীচে রাখা যায় তা হলে নানা দিক থেকে উপকৃত হওয়া যায় বলে বিশ্বাস। সে সম্বন্ধে জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
বালিশের নীচে কী রেখে ঘুমোলে কেমন ফলপ্রাপ্তি হয়?
তারামৌরি: বালিশের নীচে তারামৌরি রেখে ঘুমোলে সৌভাগ্য প্রাপ্তি হয়। এর ফলে যে কোনও কাজ ঝঞ্ঝাট ছাড়াই করে ফেলা যায়। মনোবাসনা পূরণেও সুবিধা হয়।
হলুদ: জীবনে সমৃদ্ধি আনতে বালিশের নীচে হলুদ রেখে ঘুমোনো যেতে পারে বলে মনে করা হয়। এর ফলে আটকে থাকা টাকা ফেরত পেতে সুবিধা হয়। আয়ের নতুন উৎসেরও সন্ধান মেলে।
আরও পড়ুন:
দারুচিনি: জীবনের সকল প্রকার বাধা কাটিয়ে উঠতে বালিশের নীচে দারুচিনি রাখা যেতে পারে। এর ফলে কাজের পথে আসা সকল প্রকার বিঘ্ন কাটিয়ে উঠে কাজটি সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করা যায়।
এলাচ: কোনও কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করতে চাইলে বালিশের নীচে ছ’খানা এলাচ রেখে ঘুমোনোর পরামর্শ দিচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। কাজটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রতি রাতে এই উপায়টি করতে হবে। এর ফলে কাজের গতি বাড়বে।
আরও পড়ুন:
গোলাপের পাপড়ি: প্রেমজীবনে মাধুর্য আনতে এবং সম্পর্কের সকল সমস্যা কাটাতে বালিশের নীচে গোলাপের পাপড়ি রেখে ঘুমোতে যান। এর ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় হবে বলে বিশ্বাস।