নামের আদ্যক্ষর সম্বন্ধে শাস্ত্রে নানা রকমের কথা বলা রয়েছে। ভবিষ্যৎ জীবনে ভাল হতে চলেছে না খারাপ, সবেরই একটা ধারণা নামের আদ্যক্ষরের বিচারে পাওয়া যায়। তেমনটাই জানাচ্ছে শাস্ত্র। সেই মতে বিচার করে দেখা যাচ্ছে, যে সমস্ত ব্যক্তির নাম বাংলা বা ইংরেজি বর্ণমালার চার অক্ষর দিয়ে শুরু, তাঁরা জীবনে প্রচুর ধনবান হওয়ার সুযোগ পান। তবে বিয়ের আগে না, বিয়ের পরে এঁদের অর্থভাগ্য বদলে যায় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। তালিকায় কোন কোন আদ্যক্ষরের কথা বলা হয়েছে, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
কোন চার অক্ষর দিয়ে নাম শুরু হলে বিয়ের পর অর্থভাগ্য বদলে যায়?
ইংরেজি এ বা বাংলার অ: যে সকল ব্যক্তির নাম ইংরেজি বর্ণমালার এ বা বাংলা বর্ণমালার অ দিয়ে শুরু হয়, বিয়ের পর তাঁদের ভাগ্য বদলাতে দেখা যায়। এঁরা সাধারণত অত্যন্ত পরিশ্রমী হন। বিয়ের পরে নিজেকে আরও ভাল করে মেলে ধরতে পারেন। সঙ্গীর সহায়তায় উন্নতির সিঁড়ি বেয়ে সহজেই এগিয়ে যান। খুব ভাল ফলপ্রাপ্তি হয়। জীবনে অর্থের কোনও অভাব থাকে না।
ইংরেজি এম বা বাংলার ম: ইংরেজি এম বা বাংলার ম দিয়ে নাম শুরু যে সমস্ত ব্যক্তির, তাঁর অত্যন্ত সহজ-সরল প্রকৃতির হন। এঁরা ফলের আশা না করেই কাজ করে যান। কখনও কারও প্রয়োজনে মুখ ফেরান না। সেই কারণে শ্বশুরবাড়ির দিক থেকে সম্পত্তি প্রাপ্তির প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এ ছাড়া বিয়ের সানাই বাজার পর এঁদের পেশাজীবনেও দারুণ পরিবর্তন আসতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন:
ইংরেজি আর বা বাংলার র: যে সমস্ত জাতক-জাতিকার নাম ইংরেজি বর্ণমালার আর বা বাংলার র দিয়ে শুরু হয়, তাঁদের মধ্যে নেতৃত্বদানের অসামান্য ক্ষমতা থাকতে দেখা যায়। এঁরা নিজের বলে প্রচুর অর্থ অর্জন করেন। তবে বিয়ের পরই উন্নতির গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হতে দেখা যায়। কারণ এঁদের খরচের হাত বেশি হয়। বিয়ের পর সঙ্গীর তত্ত্বাবধানে তাঁরা খরচে রাশ টানতে পারেন। ফলত সঞ্চয় ভাল হয়।
ইংরেজি এস বা বাংলার স: ইংরেজি এস বা বাংলার স দিয়ে যাঁদের নাম শুরু হয়, তাঁদের সঙ্গী-ভাগ্য খুব ভাল হয়। বিয়ের পর এঁদের জীবন বৈভবে ভরে ওঠে। শ্বশুরবাড়ির সকলের অত্যন্ত প্রিয় হন এঁরা। যে কোনও কাজ এঁরা সুপরিকল্পিত ভাবে করতে ভালবাসেন। অযথা সময় নষ্ট করা এঁদের পছন্দ নয়। নিজের বলে এবং শ্বশুরবাড়ির সহায়তায় অর্থকষ্ট এঁদের কাছে ঘেঁষতে পারে না।