স্বাভাবিক দিনে স্বাভাবিক ছন্দে কাজকর্ম করলেও জীবনে কোনও কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেই মন অস্থির হয়ে ওঠে। নিজেকে শান্ত এবং স্থির রাখতে না পারার কারণে অনেক সময় কঠোর পরিশ্রমের পর্যাপ্ত ফলপ্রাপ্তি হয় না। সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্মসংখ্যার উপর তাঁদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে। জেনে নিন, জন্মসংখ্যা অনুযায়ী কোন কাজ করলে সেই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা কঠিন পরিস্থিতিতে অবিচলিত না হয়ে শান্ত থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন—
জন্মসংখ্যা ১
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা সাধারণত খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং অধৈর্য প্রকৃতির হন। খোলা আকাশের নীচে হাঁটা বা সূর্যোদয় দেখলে তাঁদের মন শান্ত হতে পারে। আগুনের সামনে বসে থাকা বা মোমবাতি জ্বালিয়ে ধ্যান করা তাঁদের মন স্থির করতে সাহায্য করবে।
জন্মসংখ্যা ২
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং কোনও পরিস্থিতিতে চটজলদি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। নিজের মন শান্ত করতে আপনারা জলের সান্নিধ্যে থাকুন। বেশি করে জল পান করা, স্নান করা বা কোনও জলাশয়ের পাশে সময় কাটানো আপনার মনকে শান্ত করবে।
আরও পড়ুন:
জন্মসংখ্যা ৩
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা সৃজনশীল কিন্তু মাঝেমধ্যে অতিরিক্ত চিন্তার কারণে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। সৃজনশীল কোনও কাজ, যেমন ছবি আঁকা, গান গাওয়া বা বাগান করার মধ্যে থাকলে মন স্থির হবে। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কথা বলা বা কোনও আধ্যাত্মিক বই পড়লে তাঁরা দ্রুত শান্তি পান।
জন্মসংখ্যা ৪
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা একটু বিদ্রোহী স্বভাবের হন এবং হঠাৎ করেই অস্থির বোধ করেন। মাটির সংস্পর্শে থাকলে তাঁদের মন দ্রুত শান্ত হয়। খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটা বা গাছপালার যত্ন নেওয়া আপনার বিক্ষিপ্ত মস্তিষ্ককে শান্ত করবে। প্রাণায়াম বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম আপনার জন্য আদর্শ।
জন্মসংখ্যা ৫
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা চঞ্চল প্রকৃতির হন এবং সব সময় কোনও না কোনও উত্তেজনার মধ্যে থাকতে পছন্দ করেন। আপনাদের মন শান্ত করতে ‘ডিজিটাল ডিটক্স’-এর প্রয়োজন। ফোন বা গ্যাজেট ব্যবহার না করে কিছু ক্ষণ একা সময় কাটান। হালকা ধাঁচের গান শোনা বা কোনও ভ্রমণের পরিকল্পনা করলে আপনার মন শান্ত হবে।
আরও পড়ুন:
জন্মসংখ্যা ৬
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা সাধারণত সৌন্দর্যপ্রিয় হন এবং পরিবারের দায়দায়িত্ব নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত থাকেন। মন স্থির করতে ঘর সাজানো বা রান্নার মতো সৃজনশীল কাজে সময় দিলে ভাল ফল পাবেন। সুগন্ধি মোম বা এসেনশিয়াল অয়েল (যেমন ল্যাভেন্ডার) ব্যবহার করলে আপনার স্নায়ু শান্ত হবে।
জন্মসংখ্যা ৭
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা সাধারণত আধ্যাত্মিক এবং অন্তর্মুখী স্বভাবের হন। নিস্তব্ধতায় সময় কাটানো এই ধরনের ব্যক্তিদের পক্ষে শুভ। ভিড় থেকে দূরে নির্জনে বই পড়া অথবা ধ্যান করার ফলে দ্রুত মানসিক শক্তি ফিরে পাবেন।
আরও পড়ুন:
জন্মসংখ্যা ৮
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা খুব পরিশ্রমী কিন্তু মাঝেমধ্যে একাকিত্ব বা হতাশায় ভোগেন। শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করলে তাঁদের মন শান্ত হয়। যোগব্যায়াম বা জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করলে আপনার শরীরের বাড়তি স্ট্রেস হরমোন বেরিয়ে যাবে। এ ছাড়া কোনও সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত হওয়া আপনাকে মানসিক তৃপ্তি দেবে।
জন্মসংখ্যা ৯
এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা সাধারণত তেজস্বী স্বভাবের হন। যে কোনও ধরনের খেলাধুলা বা মার্শাল আর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকলে মন স্থির হয়। আপনার ভিতরের অতিরিক্ত শক্তি বার করে দেওয়ার জন্য শারীরিক কসরত প্রয়োজন। লাল রঙের জিনিসের ব্যবহার কমানো এবং ঠান্ডা পরিবেশে থাকা আপনাকে শান্ত রাখবে।