মাঝ আকাশে বিমান দুর্ঘটনা। ভেঙে পড়ল ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমান। ১৪৯ জন যাত্রী ও ৮ জন্য কর্মী ছিলেন বিমানটিতে। তাঁদের সবারই মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, আদ্দিস আবাবা শহরের থেকে ৬২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বিশোফু শহরের কাছে ভেঙে পড়েছে বিমানটি। ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে একটি বিবৃতিতে শোকবার্তা জ্ঞাপন করা হয়েছে। যদিও তাতে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, রবিবার সকালে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা বিমানবন্দর থেকে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির উদ্দেশে উড়ে যায় বোয়িং ৭৩৭ -৮০০ ম্যাক্স বিমানটি। ইটি-৩০২ উড়ানটিতে বিমান কর্মী ও যাত্রী মিলিয়ে মোট ১৫৭ জন ছিলেন। ওড়ার কিছুক্ষণ পরই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-র সঙ্গে। মুহূর্তের মধ্যেই অদৃশ্য হয়ে যায় রাডার থেকেও।

ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স আফ্রিকার সবচেয়ে বড় বিমান পরিষেবা সংস্থা। সংস্থার এক পদস্থ কর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সংবাদ সংস্থা এপি-কে বলেছেন, ‘‘এটা নিশ্চিত, ৮.৪৪ মিনিটে বিমানটি ভেঙে পড়েছে।’’ তবে বিমান সংস্থার তরফে এখনও সরকারি ভাবে কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি।

আরও পড়ুন: ভুলবশত ভারতে অনুপ্রবেশ, পাক প্রৌঢ়কে দেশে পাঠিয়ে সৌজন্য দেখাল ভারত

আরও পড়ুন: সেনাকে নিয়ে রাজনীতি নয়, সমস্ত দলকে বার্তা নির্বাচন কমিশনের

ঘটনার কিছুক্ষণ পরই ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে টুইট করে শোক জ্ঞাপন করা হয়েছে। সেই টুইটের বক্তব্য, ‘ইথিওপিয়ার সরকার ও সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে বোয়িং ৭৩৭ বিমানের নিহত যাত্রীদের পরিবার পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে।’

যান্ত্রিক ত্রুটি, নাকি অন্য কোনও কারণে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পাইলটের সঙ্গে এটিসি-র শেষ কথোপকথনের ভিত্তিতে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এটিসি-তে শেষ যে জায়গায় পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, সেই সূত্র ধরে ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে একটি সূত্রে জানানো হয়েছে।

(সারা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে বাংলায় খবর পেতে চোখ রাখুন আমাদের আন্তর্জাতিক বিভাগে।)