• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

এ বার ‘রয়্যাল হাইনেস’ খেতাব ছাড়তেও সম্মত হলেন হ্যারি-মেগান

Harry and Meghan Markle
ছবি: এপি।

Advertisement

জনতার অর্থে জীবনযাপন আর নয়। নয় ‘রয়্যাল হাইনেস’ খেতাবের ব্যবহার। এ বার হ্যারি এবং মেগানের এই সিদ্ধান্তে সরকারি সিলমোহরও পড়ল। এ বিষয়ে রাজ পরিবারের সঙ্গে তাঁদের একটি চুক্তিও হয়েছে। শনিবার রীতিমতো বিবৃতি দিয়ে সে কথা জানিয়ে দিল ব্রিটেনের রাজ পরিবার। হ্যারি এবং মেগান এই সিদ্ধান্তের ফলে এ বার থেকে ব্রিটেনের পরিবর্তে আরও বেশি করে সময় কাটাবেন কানাডায়। সেই সঙ্গে ফিরিয়ে দিতে হবে নিজেদের বাসভবনের জন্য খরচ করা জনতার বিপুল অঙ্কের অর্থও।

দিন দশেক আগে রাজ পরিবারের ‘সিনিয়র সদস্যপদ’ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হ্যারি-মেগান। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একেবারে সাধারণ মানুষের মতো জীবন কাটাতে চান তাঁরা। ফলে, রাজ পরিবার থেকে তো বটেই, ব্রিটেন থেকেও দূরে সময় কাটাবেন দম্পতি। সেই সঙ্গে তাঁদের বাসভবনের সংস্কারে যে খরচ হয়েছিল, তা-ও ফেরত দিতে হবে হ্যারি-মেগানকে। উইন্ডসর প্রাসাদের কাছে ফ্রগমোর কটেজের সংস্কারে ওই দম্পতি খরচ করেছেন ৩১ লক্ষ ডলার। এর পুরোটাই তাঁদের ফিরিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে রাজ পরিবার। সেই সঙ্গে রাজ পরিবারের বিভিন্ন দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হবে হ্যারি-মেগানকে। এমনকি, সামরিক কাজকর্মেও ছেদ পড়বে। রাজ পরিবারের কাজের জন্য যে করদাতাদের অর্থ লাভ করতেন, তা থেকেও বঞ্চিত হবেন হ্যারি এবং মেগান। এ ছাড়া, ‘রয়্যাল হাইনেস’ খেতাব ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে ডিউক এবং ডাচেস অব সাসেক্স নামের পরিচিতি ছাড়তে হবে তাঁদের।

গোটা বিষয়ে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কী বক্তব্য? বাকিংহাম প্রাসাদ থেকে প্রকাশিত হয়েছে একটি বিব়ৃতিতে ৯৩ বছরের রানি বলেছেন, ‘‘গত কয়েক মাস ধরেই আলোচনা এবং বিচারবিবেচনা পর যে সকলে মিলে পরিবার এবং নাতির জন্য একটি গঠনমূলক পথ বেছে নিতে পেরেছি, তাতে আমি আনন্দিত।’’

আরও পড়ুন: সিএএ চালু করতে বাধ্য রাজ্য: সিব্বল

আরও পড়ুন: গুরুতর আহত শাবানাকেও গেরুয়া কটাক্ষ​

২০১৮-র ১৯ মে হ্যারিকে বিয়ে করে রাজ পরিবারের সদস্য হওয়ার পর থেকেই মিডিয়ার আতসকাচের নীচে চলে আসেন মেগান মার্কল। বাদ পড়েননি হ্যারিও। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছেন ওই দম্পতি। তাতে যে দু’জনের ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব পড়েছে, রানির বিবৃতিতে সে কথাও প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘গত দু’বছরে সংবাদমাধ্যমের যে স্ক্রুটিনির মধ্যে পড়ে ওঁদের দু’জনকে যে কী কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, তা বুঝতে পারছি। দু’জনের আরও স্বাধীন জীবনযাপনের জন্য ওঁদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।’’

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন