কর্মসূত্রে ভিসা নিয়ে প্রতি বছর আমেরিকা যান হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু পাকাপাকি ভাবে সেখানে থাকার চাবিকাঠি গ্রিনকার্ড-এর জন্য হাপিত্যেশ করে বসে থাকতে হয় তাঁদের। তবে এ বার হয়ত সেই দীর্ঘ অপেক্ষার থেকে মুক্তি মিলবে। কারণ কর্মসূত্রে বিদেশ থেকে আমেরিকায় পা রাখা দক্ষ কর্মীদের গ্রিন কার্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে দেশভিত্তিক সংখ্যার ঊর্ধ্বসীমা নিয়ে মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ভোটা ভুটি হতে চলেছে। বিলটি পাস হলে অল্পদিনের অপেক্ষাতেই গ্রিন কার্ড হাতে পাওয়া যাবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

এই মুহূর্তে অন্যান্য দেশ থেকে আসা  দক্ষ কর্মীদের মধ্যে বছরে ১ লক্ষ ৪০ হাজার গ্রিন কার্ড ইস্যু করে মার্কিন সরকার।  চাকরি করতে প্রথমবার যাঁরা আমেরিকায় পা রাখেন, অস্থায়ী এইচ ১ বি এবং এল ভিসা নিয়ে যান তাঁরা। ভারত এবং চিনের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশের আবেদনকারীদের সংখ্যাও বেশি। তাই বাকি দেশগুলির তুলনায় বেশি দিন  অপেক্ষা করতে হয় তাদের। বর্তমানে যে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা রয়েছে, তাদের অনেকেরই গ্রিন কার্ড পেতে ৭০ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। নয়া বিলটি পাস হলে এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা থেকে মুক্তি মিলবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

ডেমোক্র্যাটদের ২০৩ সদস্য এবং ১০৮ রিপাবলিকান সদস্যের সমর্থনে নয়া বিলটিতে গ্রিন কার্ডের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।  মার্কিন কংগ্রেসের ৪৩৫ সদস্যের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে সেটি নিয়ে ভোটাভুটি হবে। সেখানে  ২৯০ সদস্যের সমর্থন পেলেই বিল পাশ হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে শুনানি বা কোনওরকম সংশোধনেরও প্রয়োজন হবে না। তাই অন্যদের সঙ্গে আশায় বুক বাঁধছেন গ্রিন কার্ডের জন্য অপেক্ষমান অনাবাসী ভারতীয়রা।

আরও পড়ুন: অনাস্থায় সই ৩৫ কাউন্সিলরের, ভোটাভুটি তো হবে গোপন ব্যালটে, বললেন সব্যসাচী​

আরও পড়ুন: ভাঙড়ে কাটমানি-কাণ্ডে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, অভিযুক্ত রেজ্জাক মোল্লার ছেলে​

কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষ অভিবাসী আইনে এই বিলটি পাশ হলে, পরিবার ভিত্তিক অভিবাসন ভিসার ঊর্ধ্বসীমা এক বছরে ইস্যু হওয়া মোট ভিসার ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ শতাংশ দাঁড়াবে। আবার দক্ষ কর্মী নিয়োগে দেশ পিছু ৭ শতাংশ ভিসা ইস্যু হওয়ার যে নীতি রয়েছে, বাতিল হয়ে যাবে সেটি।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube Channel - এ।