মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্যালিফর্নিয়ার অ্যানাহেম পুলিশ এক পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে একদল স্থূলকায় মানুষ নিজেদের মধ্যে প্রায় যুদ্ধ করছে। সব থেকে মজার বিষয় হল, কে কার হয়ে লড়াই করছে বোঝা যাচ্ছে না! শনিবারের এই ঝামেলা হয়। পরের দিন, ৭ জুলাই ইউটিবে ভিডিয়োটি আপলোড হয়।

ইউটিউবে আপলোড হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে ডিজনিল্যান্ডের সামনে এক দম্পতি তাঁদের দুই সন্তানকে একটি প্যারাম্বুলেটরে বসিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছেন। ওই মহিলার সঙ্গে লাল টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তির কিছু একটি বিষয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। মহিলা ওই ব্যক্তির মুখে থুতু ছিটিয়ে দেন। ব্যাস শুরু হয়ে যায় খণ্ডযুদ্ধ। এই ব্যক্তি মহিলাকে মারতে উদ্যত হন। তবে যুদ্ধ মহিলা-পুরুষ থেকে পুরুষে-পুরুষে রূপান্তরিত হয়। সম্ভবত স্ত্রীকে আক্রমণ থেকে বাঁচাতে তাঁর স্বামী যুদ্ধ নিজের দিকে টেনে নেন। এরই মাঝে যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হন আরও এক মহিলা। তিনি এক পক্ষের হয়ে কথা বলতে যান। অন্য পক্ষ তাঁকে আক্রমণ করেন। এমনকি সেখানে আরও দু’ একজনকে এই ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। আশ্চর্যের বিষয় দ্বিতীয় যে মহিলা ঝামেলায় জড়ান তিনি যার হয়ে কথা বলতে এসেছিলেন, সেই ব্যক্তিই আবার ওই মহিলাকে মারধর করেন।

এই বিভ্রান্তির আসল কারণ বোঝা যায় পুলিশের একটি সূত্র থেকে। পুলিশ জানিয়েছে, যারা ওই দিন ঝামেলা করছিলেন তাঁরা সবাই একই পরিবারে সদস্য। কোনও একটি বিষয়ে তাঁদের মতান্তর থেকেই এই ঝামেলার সূত্রপাত।

আরও পড়ুন : বয়ফ্রেন্ডের ক্রেডিট কার্ড থেকে ওয়েটারকে পৌনে ৪ লক্ষ টাকা টিপ, গ্রেফতার মহিলা

আরও পড়ুন : ইতালিতে পুলের ধারে সুইমওয়্যারে প্রিয়ঙ্কার ছবি ভাইরাল

খণ্ডযুদ্ধ যখন চলছিল, তখন বাচ্চাদের কান্নার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল। পিছনে একজন পুলিশ, নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেওয়ার কথা বলছিলেন। উপস্থিত কয়েকজন ঝামেলা আটকানোর চেষ্টাও করেন। এর কিছুক্ষণ পরে পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কেউ কোনও অভিযোগ জানাতে চায়নি পুলিশের কাছে। তাই পুলিশও প্রথমে বুঝতে পারেনি বিষয়টি।

 

পুলিশ প্রথমে জানত না, গোটা ঘটনার ভিডিয়ো রেকর্ড হয়েছে। সেটি ইউটিউবে আপলোড হওয়ার পর বিষয়টি জানতে পারে পুলিশ। এখন তদন্তকারীরা ফের গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। যোগাযোগ করা হচ্ছে ওই পরিবারের সঙ্গে।