Advertisement
E-Paper

চুপ থাকা মানেই কি দুর্বলতা! জীবনের কোন পরিস্থিতিতে নীরব থাকলে নিজেরই লাভ হবে?

রাগের মাথায় একবার কোনও কথা বেরিয়ে গেলে তা ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। ফলে জীবনের অনেক পরিস্থিতিতে চুপ করে যাওয়াই শ্রেয়। কারও মনে হতে পারে নীরব থাকা আসলে দুর্বলতা।কিন্তু আসলে কি তাই?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:২০
জীবনে কখন নীরব থাকা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়?

জীবনে কখন নীরব থাকা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়? ছবি: সংগৃহীত।

ক্ষোভ, হতাশা, রাগ— কখনও কখনও এমন মাত্রা ছাড়ায় যে অনেকেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে এমন কিছু করে বসেন, যা নিয়ে পরে আফসোস করতে হয়।

রাগের সময়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ভবিষ্যতে প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে পারে। রাগের মাথায় একবার কোনও কথা বেরিয়ে গেলে তা ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। ফলে জীবনের অনেক পরিস্থিতিতে চুপ করে যাওয়াই শ্রেয়। কারও মনে হতে পারে নীরব থাকা আসলে দুর্বলতা। তবে মনস্তত্ত্ব বলছে, এটি আসলে কৌশল। বিশেষ পরিস্থিতিতে নিজেকে সংযত রাখলে লাভ হয় নিজেরই।

রাগ: রাগের মাথায় জিনিস ছুড়তে গিয়ে যদি প্রিয়জনের আঘাত লাগে, সেটা মোটেই কাজের কথা নয়। আবার নিজেকে সংযত করতে না পেরে এমন ভাষা প্রয়োগ করলেন, যা অন্য দিকের মানুষটিকে তীব্র ভবে আঘাত করল, সেটাও কাম্য নয়। তাই যখন প্রচণ্ড রাগ হচ্ছে, নিজেকে সংযত রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। খানিক ক্ষণ চুপ করে থাকলে মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স শান্ত হয়। এতে আবেগপ্রবণ হয়ে চারটে বাজে কথা বলে ফেলার প্রবণতা কমে।

রাগ কমানোর নানা কৌশল প্রয়োগ করতে পারেন। স্নানঘরে গিয়ে পায়ে ঠান্ডা জল ঢালুন, কিংবা ঘরে গিয়ে চুপ করে বসে থাকুন। কান্না পেলে কাঁদুন, কষ্ট হলে লিখে ফেলুন ডায়েরিতে।

শান্ত থাকার ফল: কোনও বিশেষ পরিস্থিতিতে এক জন যখন চিৎকার করছেন, তখন শান্ত হয়ে যান। শুনতে থাকুন। যখন অন্যের থেকে কোনও কথা বা বিশেষ সত্যি জানতে চাইছেন, তখন এমন কৌশল কাজে আসতে পারে।

দু’জনের তর্ক-বিতর্কের মাঝে: দু’জনের তর্ক-বিতর্কের মাঝে কোনও এক পক্ষের হয়ে কথা বলতে গেলেও পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।কারণ, সেই সময় কেউই ঠান্ডা মাথায় বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করবেন না।বরং সেই সময় চুপ থাকাটাই শ্রেয়। না হলে সমস্যা আরও বাড়বে।

শোনা দরকার: কোনও বিষয় নিয়ে যখন ঝামেলা চলছে, তখন প্রত্যেকেই নিজের সমর্থনে অন্যকে পাশে পেতে চাইবেন। এই সময় না শুনে, না বুঝে কাউকে সমর্থন করার চেয়ে চুপ করে উভয়েরই কথা শোনা দরকার। সবটা শুনে নিজের পরামর্শ দিতে পারেন।

silent Mental Health Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy