রেস্তরাঁর মটন এ বার হানা দেবে বাড়ির হেঁশেলেই

নিজস্ব প্রতিবেদন
রেস্তরাঁর মটন এ বার হানা দেবে বাড়ির হেঁশেলেই

রেস্তরাঁয় রোজ রোজ খেতে যাওয়ার কেবল অর্থ খরচই নয়, নানা তেল-মশলায় শরীরেরও সমস্যাকে ডেকে আনা। তার চেয়ে বাড়ির হেঁশেলেই যদি আনতে পারেন রেস্তরাঁর নানাবিধ পছন্দের পদ, তা হলেই বা ক্ষতি কী?

রান্নার কৌশল জানলে আপনার হাতযশেই পিছিয়ে পড়বেন রেস্তরাঁর শেফরাও। কেবল জরুরি জানা ঠিক কতটুকু মশা আর কী কী পদ্ধতিতে মজবে রান্না। তাই মটনের এমন খাবার রইল আপনার জন্য, যা সাধারণত রেস্তরাঁ থেকেই কিনে আনেন।

মটনের রগরগে ঝোল তো অনেক হল, স্বাদ বদলাতে রেজালাও ঠাঁই পেয়েছে রান্নাঘরে। এ বার নবাবি রান্নার তালিকায় যোগ করুন আরও এক পদ— মটন চাঁপ। বাড়িতে বানানো রুমালি রুটি বা বিরিয়ানির সঙ্গে জমে যাক আপনার হাতে বানানো মটন চাঁপ।

উপকরণ

মটন: ৭৫০ গ্রাম (বড় ও পাতলা করে কাটা টুকরো)

আদা-রসুন বাটা: ২ চা চামচ

কাঁচা পেঁপে বাটা: ২ টেবিল চামচ

হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

লঙ্কার গুঁড়ো: ১ চা চামচ

লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ

টক দই: আধা কাপ

গরম মশলা গুঁড়ো: ১ চা চামচ

কাবাব মশলা: আধ টেবিল চামচ

নুন: স্বাদ অনুযায়ী

বেসন: ১ টেবিল চামচ

প্রণালী

মটন কেনার সময় পাতলা করে কাটিয়ে নিন। এ বার টুকরোগুলোকে শিলনোড়ার সাহায্যে একটু থেঁতলে নিন। এর পর মটনে টক দই, লেবুর রস মিশিয়ে কিছু ক্ষণ রেখে দিন। অনেকে ভিনিগারে ভিজিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। সে ক্ষেত্রে দই কম দেবেন। ৩-৪ ঘণ্টা এ ভাবে রাখার পর সব মশলা এতে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর পর আরও কিছু ক্ষণ তা রেখে দিন। এর পর আঁচ কমিয়ে গরম পাত্রে আধ কাপের মতো তেল দিন। তেল গরম হলে চাঁপের টুকরোগুলো দিয়ে লালচে বাদামি করে ভেজে নিন।

এর পর অন্য একটি পাত্রে মটনের টুকরো ভেজে রাখা তেলেই আধ কাপ পিঁয়াজ কুচি ফেলুন। তত ক্ষণই ভাজুন যত ক্ষণ না এর রং লালচে হয়। কাঁচা লঙ্কা চিরে দিন তেলে। লঙ্কা ও পিঁয়াজ মেশানো গন্ধ ছেড়ে এলে মাংসের টুকরোগুলো মিশিয়ে দিন এর সঙ্গে। মাংসের গা থেকে জল বেরলে আঁচ বাড়িয়ে হালকা কষিয়ে নিন। জল কমলে উপর থেকে কাবাব মশলা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। তৈরি আপনার সাধের মটন চাঁপ। এ বার কাঁচা পিঁয়াজ ও শশার স্যালাডের সঙ্গে নান বা পরোটার সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন এই পদ।

ইতিহাসের পাতায় আজকের তারিখ, দেখতে ক্লিক করুন — ফিরে দেখা এই দিন