দেখলে মনে হবে কড়াইশুঁটির ঘুগনি। তবে তা ঘুগনি নয়, একে বলে কড়াইশুঁটির নিমোনা। উত্তরপ্রদেশেই এর জন্ম। বিহারেও নিমোনা খাওয়ার চল রয়েছে। এই ‘মটর কা নিমোনা’ কিন্তু স্বাদবদলের জন্য হতে পারে দারুণ খাবার।
আরও পড়ুন:
বঙ্গে কড়াইশুঁটির প্রসঙ্গ উঠলে জনপ্রিয় খাবারের তালিকায় প্রথমেই আসে কড়াইশুঁটির কচুরির নাম। শীতের দিনের আলুরদমও কড়াইশুঁটি ছাড়া অসম্পূর্ণ। চেনা ছকের বাইরে গিয়ে কিছু অন্য রকম স্বাদ পেতে চাইলে বানিয়ে ফেলুন নিমোনা।
উপকরণ
৫০০ গ্রাম কড়াইশুঁটি
১টি আলু সেদ্ধ
১টি বড় টম্যাটো কুচি
এক আঁটি ধনেপাতা
৫-৬ টেবিল-চামচ সর্ষের তেল
এক চিমটে হিং
স্বাদমতো নুন এবং চিনি
আধ ইঞ্চি আদা
২-৩টি শুকনো লঙ্কা
১ চা-চামচ জিরে
১ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো
৫-৬টি কাঁচালঙ্কা
৪-৫ কোয়া রসুন
১ চামচ চাটমশলা
১টি তেজপাতা
২-৩টি লবঙ্গ
আধ চা-চামচ গরমমশলা
প্রণালী: কড়াইশুঁটি ছাড়িয়ে নিন। কড়াইয়ে ২ টেবিল-চামচ সর্ষের তেল দিয়ে কড়াইশুঁটি ভাল করে নাড়াচাড়া করে নিন। দিন স্বাদমতো নুন। আঁচ কমিয়ে রান্নাটি করতে হবে। কড়াইশুঁটি আঙুল দিয়ে চাপলে যদি একদম নরম লাগে, বুঝতে হবে সেটি নামিয়ে নিতে হবে।
এই পর্যায়ে বেশ কিছুটা রান্না করা কড়াইঁশুটি হালকা করে ঘুরিয়ে নিন যাতে আধবাটা হয়। বাকি কড়াইশুঁটি গোটাই থাকবে। ধনেপাতা, রসুন, কাঁচালঙ্কা মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন।
এবার কড়াইয়ে সর্ষের তেল দিন। তেল গরম হলে দিতে হবে হিং, জিরে, তেজপাতা এবং লবঙ্গ ফোড়ন। সেদ্ধ করা আলু ছোট করে টুকরো করে নিন। তেলে হালকা ভেজে নিন। যোগ করুন টম্যাটো কুচি। স্বাদমতো নুন-চিনি দিয়ে রান্না করুন। দিয়ে দিন ধনেপাতা, আদা-রসুন বাটার সবুজ মিশ্রণ। দিয়ে দিন ধনেগুঁড়ো। ঢাকা দিয়ে রান্না করুন যত ক্ষণ না তেল ছাড়ে। এর পরে বাটা কড়াইশুঁটি এবং গোটা কড়াইশুঁটি দিয়ে অল্প নাড়াচাড়া করে ১ কাপ গরম জল দিয়ে দিন। প্রথমে মধ্যম আঁচে, তার পরে আঁচ কমিয়ে ফুটতে দিন। জল ফুটে কাই ঘন হয়ে এলে উপর থেকে চাটমশলা এবং গরমমশলা দিন। ঢাকা দিয়ে ২ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।