মোহনবাগান— ১ কাস্টমস— ১

(মুনোজ)   (স্ট্যানলি

কলকাতা লিগের প্রথম ম্যাচে পিয়ারলেস মাটি ধরিয়েছিল মোহনবাগানকে। বুধবার লিগের দ্বিতীয় ম্যাচেও স্বস্তি ফিরল না সবুজ-মেরুন সাজঘরে। সে দিন আনসুমানা ক্রোমার দৌরাত্ম্যে বাগান তছনছ হয়ে গিয়েছিল। এ দিন আদজা-স্ট্যানলি ভাঙলেন মোহনবাগানের রক্ষণ। সস্ত্রীক ক্রোমা এদিন মাঠে উপস্থিত ছিলেন। গ্যালারিতে বসে দেখলেন তাঁর পুরনো দল এগিয়ে থেকেও ম্যাচ ড্র করল।

২৩ মিনিটে ফ্রানসিসকো হাভিয়ের মুনোজের কামানদাগা শটে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। তার আগে চামোরোর হেড বাঁচান কাস্টমস গোলকিপার। মোহনবাগানের খেলায় তখন পাসের বিচ্ছুরণ। ৩২ মিনিটে পরিবর্ত হিসেবে নামেন আদজা। প্রথম বলটা ধরেই মোহনবাগান রক্ষণ ভেঙে দিয়েছিলেন। ভাগ্য ভাল বলতে হবে চামোরো-মুনোজদের। সে যাত্রায় গোল করতে পারেননি আদজা।

দ্বিতীয়ার্ধে অন্য ছবি। প্রথমার্ধের পাসিং ফুটবল উধাও। রোগটা কিছুতেই সারছে না মোহনবাগানের। উল্টে আদজাকে মেরে ৬৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন কিমকিমা। ১০ জনে নেমে যায় মোহনবাগান। বাধ্য হয়ে কিবু স্ট্রাইকার সালভা চামোরোকে তুলে নিয়ে রক্ষণে মোরান্তেকে নামান। তাতেও শেষরক্ষা হল না। বেইতিয়াকে মেরে কাস্টমসের দেবায়ন ৮২ মিনিটে লাল কার্ড দেখলেও দমেনি কাস্টমস। ৯০ মিনিটে স্ট্যানলি সমতা ফেরান কাস্টমসের হয়ে।

আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গল আমাকে পুনর্জন্ম দিল, বলছেন অভিভূত মজিদ

কর্নার থেকে ভাসানো বলে হেড করতে উঠেছিলেন আদজা। মাথায় ও বলে ঠিকঠাক সংযোগ না হওয়ায় ফিরতি বল চলে আসে স্ট্যানলির কাছে। তিনি গোল করতে ভুল করেননি। এত ক্ষণ গোলকিপার শঙ্কর কুম্ভ রক্ষা করছিলেন বাগানের বারের নীচে দাঁড়িয়ে। আদজার একটা গোঁত খাওয়া ফ্রি কিক শরীর ছুড়ে বাঁচান শঙ্কর। কিন্তু, খেলার শেষ লগ্নে স্ট্যানলির বাঁ পায়ের শট বাঁচাতে পারলেন না তিনি। বিপক্ষ শিবিরে শক্তিশালী এবং দ্রুত গতির স্ট্রাইকার মোহনবাগান রক্ষণকে বারংবার বেগ দিচ্ছেন। এটাই দেখা যাচ্ছে। আগেরদিন ক্রোমা-উলফরা বাগানের দুর্বলতা প্রকট করে দিয়েছেন। এ দিন আদজা ও স্ট্যানলি একই কাজ করলেন।

লিগের দুটো ম্যাচ হয়ে গেল। এখনও জয়ের মুখ দেখল না মোহনবাগান। খেলার শেষে মেজাজ হারালেন কিবু। কাস্টমস কোচ রাজীব দের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লেন।