Advertisement
E-Paper

প্রথম ১০ ওভারে এক চার, এক ছক্কা, শামি সরতেই শেষ ১০ ওভারে ১০ চার, সাত ছক্কা! লখনউয়ের সামনে ১৫৭ রানের লক্ষ‍্য দিল হায়দরাবাদ

সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত বল করলেন মহম্মদ শামি। চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। হায়দরাবাদের ব্যাটিংয়ের ভিত নড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:১৯
cricket

মহম্মদ শামিকে ঘিরে উচ্ছ্বাস লখনউয়ের ক্রিকেটারদের। ছবি: পিটিআই।

বয়স বাড়লেও তাঁর বোলিংয়ের ধার যে এখনও কমেনি তা আরও এক বার দেখিয়ে দিলেন মহম্মদ শামি। পুরনো দলের বিরুদ্ধে আগুন ঝরালেন তিনি। সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। হায়দরাবাদের ব্যাটিংয়ের ভিত নড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। হাইনরিখ ক্লাসেন ও নীতীশ রেড্ডির ১১৬ রানের জুটি হায়দরাবাদকে ভদ্রস্থ স্কোরে নিয়ে গিয়েছে। ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান করেছে তারা।

আগের ম্যাচে কেকেআরের বিরুদ্ধে পাওয়ার প্লে কাজে লাগিয়েছিল হায়দরাবাদ। ঋষভ পন্থ তা জানতেন। তাই শামির উপর দায়িত্ব দেন, হায়দরাবাদকে আটকে রাখার। নিরাশ করেননি শামি। প্রথম ওভারের শেষ বলেই অভিষেক শর্মাকে শূন্য রানে ফেরান শামি। বিশ্বকাপের পর এ বার আইপিএলেও শূন্য রানে আউট হলেন অভিষেক।

তৃতীয় ওভারে হায়দরাবাদকে দ্বিতীয় ধাক্কা দেন শামি। এ বার ৭ রানের মাথায় তাঁর শিকার হন ট্রেভিস হেড। দু’টি উইকেটের ক্ষেত্রেই বলের গতি কমিয়ে ব্যাটারদের ধোঁকা দেন শামি। অভিষেক ও হেড শট খেলতে যান। সেটা করতে গিয়ে ফাঁদে পড়েন তাঁরা।

Advertisement

সেই ধাক্কা সামলানোর আগেই পরের ওভারে প্রিন্স যাদবের ভিতরে ঢুকে আসা বল সামলাতে না পেরে বোল্ড হন ঈশান কিশন। ১ রান করেন হায়দরাবাদের অধিনায়ক। লিয়াম লিভিংস্টোনও রান পাননি। ১৪ রান করে দিগ্বেশ রাঠীর বলে আউট হন তিনি। ২৬ রানে ৪ উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ৩৫ রান হয়। একটি চার ও একটি ছক্কা মারতে পারে হায়দারাবাদ।

তার অন্যতম কারণ শামি। নতুন বল তাঁর কথা শুনল। তাঁর ২৪ বলের মধ্যে ১৮টি বলে রান করতে পারেনি হায়দরাবাদ। এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট, কতটা ভাল বল করেছেন তিনি। দেখে মনে হচ্ছিল, হায়দরাবাদ ১০০ রান করতেও সমস্যায় পড়বে। কিন্তু শামি সরতেই পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটেন ক্লাসেন ও নীতীশ। পরের ১০ ওভারে হায়দরাবাদ ১০টি চার ও সাতটি ছক্কা মারে।

কেকেআরের বিরুদ্ধেও এই দুই ব্যাটার হায়দরাবাদের ইনিংস ২২২ রানে নিয়ে গিয়েছিলেন। এই ম্যাচেও ১০ ওভারের পর থেকে হাত খোলেন দুই ব্যাটার। পরের সাত ওভারে শুধু চার-ছক্কা হল। দু’জনেই হাত খুলে খেললেন। শামি বাদে লখনউয়ের চার বোলার প্রিন্স, এম সিদ্ধার্থ, দিগ্বেশ ও আবেশ খান রান দিলেন।

দুই ব্যাটারই অর্ধশতরান করেন। একটা সময় তাঁদের দেখে মনে হচ্ছিল, হায়দরাবাদের রান ১৮০ পর্যন্ত চলে যেতে পারে। ৬৩ বলে ১১৬ রানের জুটি গড়েন ক্লাসেন ও নীতীশ। সেই জুটি ভাঙের সিদ্ধার্থ। ৩৩ বলে ৫৬ রান করে আউট হন নীতীশ। ক্লাসেন করেন ৪১ বলে ৬২ রান। সেই উইকেটের ক্ষেত্রে কৃতিত্ব প্রাপ্য পন্থের। আবেশের বলে রিভার্স স্কুপ খেলার চেষ্টা করেন ক্লাসেন। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে এক হাতে ক্যাচ ধরেন পন্থ।

সেই জুটি ভাঙার পর আর বেশি ক্ষণ টিকতে পারেনি হায়দরাবাদ। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। শামি বাদে প্রিন্স ও আবেশ ২ করে উইকেট নেন। ১ করে উইকেট নেন দিগ্বেশ ও সিদ্ধার্থ। অর্থাৎ, চলতি আইপিএলে প্রথম জয়ের জন্য লখনউয়ের সামনে লক্ষ্য ১৫৭ রান।

LSG SRH Mohammed Shami
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy