গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন মহিলা-সহ সাত জনের। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানার উচ্ছেখালির কাছে দ্রুতগতির একটি টাটা সুমো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে গেলে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই সাত জনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে একই পরিবারের চার জন রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর থেকে ওই গাড়ির চালক পলাতক। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণে বা ভেজা রাস্তায় চাকা পিছলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বিষ্ণুপুরের দক্ষিণ গারুইপুর থেকে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন এক জনকে আনতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে এক জনকে নিয়ে মোট সাত জন ফের গারুইপুরেই ফিরছিল। উচ্ছেখালির কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি রাস্তার ধারে একটি পুকুরে ডুবে যায়। গাড়ির ভিতর থেকে সাত যাত্রীর কেউই বাইরে বার হতে পারেননি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, গাড়ি থেকে বেরোতে না পারায় ডুবে মৃত্যু হয়েছে সবার। পুলিশ দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন একই পরিবারের চার জন। আক্কাস আলি শেখ তাঁর স্ত্রী সেলিনা বিবি, ২৯ বছরের ছেলে আলতাব শেখ এবং মেয়ে এসমতারা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত বাকি তিন জনও তাঁদের আত্মীয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানতে পেরেছে পুলিশ।

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

কী কারণে দুর্ঘটনা, তা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তদন্তকারীরা। তবে তাঁদের অনুমান, চালক ঝিমিয়ে পড়ার জেরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতে পারেন। আবার বৃহস্পতিবার রাত ভর দফায় দফায় বৃষ্টির জেরে রাস্তা পিছল হয়ে যায়। ফলে চাকা পিছলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আরও পডু়ন: স্বাধীনতা দিবসে বড় চমক মোদীর, তৈরি হল চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ

আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তে তুমুল নাটক, বেঁকে বসলেন শোভন, আটকে গেল দেবশ্রীর যোগদান

তবে দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত গাড়ির চালক। আপাতত তিনি পলাতক। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ মনে করছে, চালকও অল্পবিস্তর আহত হয়েছেন। তাঁর খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ।