শনিবার নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেবেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। শুক্রবার তিনি নিজেই জানান যে দুপুর আড়াইটের পর তিনি সিবিআই দফতরে যাবেন।

এর আগে পুলিশ কর্তা সৈয়দ মহম্মদ হোসেন মির্জাকে হেফাজতে নিয়েই বৃহস্পতিবার মুকুল রায়কে নোটিস পাঠায় সিবিআই। তাঁকে শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে বলা হয়। 

শুক্রবার  সকালে প্রতিনিধি পাঠিয়ে বিজেপি নেতা মুকুল রায় সিবিআইয়ের কাছে দু’এক দিন সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর প্রতিনিধি তাঁর চিঠি পৌঁছে দেওয়ার র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফের সিবিআই নোটিস পাঠায় মুকুলকে।  সেখানে বলা হয়, আগামিকাল শনিবার তাঁকে হাজিরা দিতে হবে নিজাম প্যালেসে। এমনটাই জানা গিয়েছে সিবিআই সূত্রে। এর পরই শনিবারই হাজিরা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এই বিজেপি নেতা।

নারদা-কাণ্ডে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের পুলিশ কর্তা এসএমএইচ মির্জাকে। তার পরেই ওই দিন সন্ধ্যায় বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে তলব করে সিবিআই। শুক্রবার তাঁকে আসতে বলা নিজাম প্যালেসে। কিন্তু, তিনি আসতে পারবেন না বলে এক প্রতিনিধি মারফত জানান সিবিআইকে। ব্যস্ততার কারণেই আসতে পারছেন না, তাই তাঁকে যেন আরও দু’এক দিন সময় দেওয়া হয়, মুকুলের তরফে এমনই আবেদন করা হয়েছে বলে সিবিআই জানানো হয়েছে বলে খবর।

এসএমএইচ মির্জাকে সিবিআই পাঁচ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে পেয়েছে। আগামী সোমবার ফের তাঁকে কলকাতা নগর দায়রা আদালতে পেশ করতে হবে। তার আগেই মুকুল রায়ের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চান গোয়েন্দারা।

সিবিআইয়ের দাবি, নারদ-কাণ্ডের ভিডিয়োয় বর্ধমানের তৎকালীন পুলিশ সুপার মির্জাকে সরকারি বাসভবনে বসে পাঁচ লক্ষ টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল। নারদ কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েলের কথায় ইঙ্গিত ছিল, মুকুল রায়ের হয়েই টাকা নিচ্ছেন মির্জা। নারদের অন্য একটি ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছিল, বেসরকারি সংস্থার কর্তা সেজে আসা সাংবাদিক ম্যাথুকে মির্জার কাছে পাঠাচ্ছেন মুকুল।

আরও পড়ুন: তিন দিনেও শেষ হল না শুনানি, সোমবার পর্যন্ত ঝুলেই রইল রাজীবের আবেদন

আরও পড়ুন: মুখ্যসচিব হচ্ছেন রাজীব সিংহ