• জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এসি নিয়ে পরামর্শ কেন্দ্রীয় পূর্ত বিভাগের

AC
এসি’র ইনডোর ইউনিট বারবার স্যানিটাইজ়ড করে ‘এয়ার স্যানিটাইজ়েশন’ করাতে হবে। প্রতীকী ছবি।

চতুর্থ দফার লকডাউন শেষে ধীরে ধীরে প্রায় পুরোমাত্রায় খুলতে চলেছে  বিভিন্ন সরকারি অফিস। তার আগে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কে‌ন্দ্রীয় সরকারি অফিসে কী ভাবে এসি মেশিন চালানো হবে, তা নিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় পূর্ত বিভাগ। তাতে দরজা-জানলা সামান্য খুলে এসি চালানো-সহ কয়েক দফা পরামর্শ রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এসি মেশিনের হাওয়ার মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনা। সূত্রের খবর, দিল্লির নির্মাণ ভবনে কেন্দ্রীয় পূর্ত দফতরের এডিজি (টেকনিক্যাল) অনন্ত কুমারকে মাথায় রেখে ১২ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই কমিটি রিপোর্ট পেশ করে সরকারি অফিসে এসি, এয়ারকুলার চালানোর নতুন বিধি-নির্দেশিকা জারি করেছে। রাজ্য সরকারগুলিকেও একই ধরনের সাবধানতা নিতে বলেছে কেন্দ্র। এসি-র মাধ্যমে করোনা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তা দেখতেই এমন পরামর্শ বলে কর্তারা জানাচ্ছেন।

কমিটি রিপোর্টে বলেছে, সমস্ত এসি মেশিনের তাপমাত্রা ২৪-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে হবে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ হতে হবে ৪০ থেকে ৭০ %। এসি মেশিন চালানোর আগে বা পরে ওই ঘরে জানলা-দরজা খোলা রেখে খোলা হাওয়া চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। এসি বন্ধ করার পর ঘর থেকে সমস্ত বাতাস এগজস্ট পাখার সাহায্যে বের করে দিতে হবে। তার ফের ঘরে আবার নতুন করে হাওয়া-বাতাস খেলবে। তাতে করোনা সংক্রমণের প্রকোপ কমবে। যদি সম্ভব হয় কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসে ক্রস ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। এসি’র ইনডোর ইউনিট বারবার স্যানিটাইজ়ড করে ‘এয়ার স্যানিটাইজ়েশন’ করাতে হবে।

আরও পড়ুনকরোনায় আক্রান্ত আরও ৮০০০, সতর্ক করলেন মোদীও

আরও পড়ুনদুঃখে দুঃখী, কিন্তু হাত উপুড় নয় মোদীর

কমিটির মতে, প্রস্তাবিত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বজায় রেখে এসি চলাকালীনই মাঝে মাঝে দরজা খুলে এবং এগজ়স্ট পাখা চালানো যেতে পারে। ২৪ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এসি’র সঙ্গে ঘরে পাখা চালিয়ে রাখার কথাও জানিয়েছে তারা। প্রয়োজনে দরজা বা জানালা সামান্য খোলা রেখে এসি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সেন্ট্রাল এসি ব্যবস্থা রয়েছে এমন অফিস, মল, হাসপাতাল খুবই বিপজ্জনক বলে মত দিয়েছে কেন্দ্রীয় পূর্ত বিভাগ। এমন অফিস বা হাসপাতালে ঘণ্টায় ১২ বার বাতাস বদল বা (১২ এয়ার চেঞ্জেস পার আওয়ার-এসিপিএইচ) প্রযুক্তি ব্যবহার করতে বলেছে তারা। সেই সঙ্গে এগজ়স্ট পাখা ব্যবহার করে বদ্ধ বাতাস বের করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন