• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হাজার ছুঁল, সংক্রমণের হার বেড়ে ১৪

Corona
গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার এক ধাক্কায় বাড়ল কয়েক ধাপ। মঙ্গলবার ‘পজিটিভিটি রেট’ ছিল ১২.৫। বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ১৪ শতাংশ। এ দিন ১ হাজার ৫৮৯ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তার ফলে এ রাজ্যে এখন মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৪২৭।

এ দিন সন্ধ্যায় প্রকাশিত স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। ৬ জন মারা গিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনায়। ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে হাওড়ায়। সব মিলিয়ে জেরে রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা এখন ১ হাজার।

কলকাতার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত কাল মঙ্গলবার কলকাতায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছিলেন ৫২৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য তা কিছুটা কমে হয়েছে ৪২৫।

(গ্রাফের উপর হোভার বা টাচ করলে প্রত্যেক দিনের পরিসংখ্যান দেখতে পাবেন। চলন্ত গড় কী এবং কেন তা লেখার শেষে আলাদা করে বলা হয়েছে।)

এত দিন কলকাতা ছাড়াও দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলিতে সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ছিল। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরও। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৪৭, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৭৪, হাওড়ায় ১৫১, হুগলিতে ৭৪ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৬০ জন  নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: ১ অগস্ট থেকে ট্যাক্সিতে উঠলেই ৫০ টাকা! হুঁশিয়ারি ট্যাক্সিচালকদের

প্রতিদিন যে সংখ্যক মানুষের টেস্ট হচ্ছে, তার মধ্যে যত শতাংশের রিপোর্ট কোভিড পজিটিভ আসছে, সেটাকেই বলা হচ্ছে প্রতিদিনের ‘পজিটিভিটি রেট’ বা সংক্রমণের হার। রাজ্যে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলেছিল ১৮ মার্চ। তার পর থেকে এই সংক্রমণের হারের দিকে নজর রাখলেও উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, মোট ১১ হাজার ৩৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ দিন করোনা ধরা পড়েছে ১ হাজার ৫৮৯ জনের। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় ‘পজিটিভিটি রেট’ আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১৪ শতাংশ।

আরও পড়ুন: বিধায়ক খুন হননি, অপপ্রচার চলছে: রাষ্ট্রপতিকে চিঠি মমতার​

রাজ্যে এ দিন পর্যন্ত মোট ২০ হাজার ৬৮০ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থতার হার ৬০ শতাংশের কিছুটা বেশি।

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

(চলন্ত গড় বা মুভিং অ্যাভারেজ কী: একটি নির্দিষ্ট দিনে পাঁচ দিনের চলন্ত গড় হল— সেই দিনের সংখ্যা, তার আগের দু’দিনের সংখ্যা এবং তার পরের দু’দিনের সংখ্যার গড়। উদাহরণ হিসেবে— লেখচিত্র ২ অর্থাত্ পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক নতুন করোনা সংক্রমণের লেখচিত্রে ১৮ মে-র তথ্য দেখা যেতে পারে। সে দিনের মুভিং অ্যাভারেজ ছিল ১২৮। কিন্তু  সে দিন নতুন আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা ছিল ১৪৮। তার আগের দু’দিন ছিল ১১৫ এবং ১০১। পরের দুদিনের সংখ্যা ছিল ১৩৬ এবং ১৪২। ১৬ থেকে ২০ মে, এই পাঁচ দিনের গড় হল ১২৮, যা ১৮ মে-র চলন্ত গড়। ঠিক একই ভাবে ১৯ মে-র চলন্ত গড় হল ১৭ থেকে ২১ মে-র দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার গড়। পরিসংখ্যানবিদ্যায় দীর্ঘমেয়াদি গতিপথ সহজ ভাবে বোঝার জন্য এবং স্বল্পমেয়াদি বড় বিচ্যুতি এড়াতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়)

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন