দূষণ দেখে বিরক্ত ‘তারকা’ মুনমুন, বাবুলের আসল প্রতিদ্বন্দ্বী ‘মেয়র সাহেব’
পরিস্থিতি কতটা তিক্ত আসানসোলে, আঁচ পাওয়া যায় দুই শিবিরের এই মেজাজ দেখেই। বৈশাখের শুরু থেকেই তাপমাত্রার পারদ ৪০ ছাড়াতে শুরু করেছে রাঢ়বঙ্গের এই প্রান্তে। কিন্তু রাজনৈতিক উত্তাপ তার চেয়েও অনেক বেশি।
asansole

বৈশাখের শুরু থেকেই তাপমাত্রার পারদ ৪০ ছাড়াতে শুরু করেছে রাঢ়বঙ্গের এই প্রান্তে। রাজনৈতিক উত্তাপ তার চেয়েও অনেক বেশি। গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।

প্রচণ্ড গরমে কিচ্ছু খেতে ভাল লাগছে না তাঁর। সান্ধ্য কর্মসূচিতে রওনা দেওয়ার জন্য উপরতলা থেকে হোটেলের লবিতে নেমে এসে জানতে পারলেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কিছু ক্ষণ কথা বলতে হবে। তাই এক কাপ ‘মসালা টি’ চেয়ে পাঠালেন। তার পরে প্রতিপক্ষের নাম শুনেই চটে গেলেন— ‘‘বাবুল সুপ্রিয় ছাড়া আর কারও নাম কি আপনারা জানেন না?’’ ভ্রূ কুঞ্চিত প্রশ্ন আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনের।

প্রায় একই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল সকালে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আসানসোলের বিদায়ী সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ও উষ্মা উগরে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘‘এই রকম নেতিবাচক সাংবাদিকতা করছেন কেন? আমার প্রতিপক্ষের প্রশ্ন আপনার মুখ থেকে কেন শুনব? আমার কাছে যখন এসেছেন, আমার কথা জানতে চান।’’

পরিস্থিতি কতটা তিক্ত আসানসোলে, আঁচ পাওয়া যায় দুই শিবিরের এই মেজাজ দেখেই। বৈশাখের শুরু থেকেই তাপমাত্রার পারদ ৪০ ছাড়াতে শুরু করেছে রাঢ়বঙ্গের এই প্রান্তে। কিন্তু রাজনৈতিক উত্তাপ তার চেয়েও অনেক বেশি।

দিল্লি দখলের লড়াইলোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

আসানসোল আর রানিগঞ্জের মাঝে জতীয় সড়কের ধারে তারকাখচিত হোটেল। উপরতলায় তখন বিশ্রামে মুনমুন। নীচের লাউঞ্জে বসে দিল্লি থেকে আসা হিন্দি চ্যানেলের প্রতিনিধিকে পরিস্থিতি বোঝাচ্ছেন কুঁয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বোঝাচ্ছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষটা কেমন এবং মমতার রাজনীতির উপরে বাংলার মানুষের আস্থা কতখানি। আসানসোলের মেয়র বা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক তো তিনি বটেই। কিন্তু আপাতত জিতেন্দ্রর ভূমিকা তার চেয়েও অনেক বড়। এ বারের লোকসভা নির্বাচনে আসানসোলে তৃণমূলের টিকিটে যিনিই লড়ুন, আসলে লড়ছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি-ই। এলাকার বিদায়ী সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে মূল লড়াইটা জিতেন্দ্র তিওয়ারিরই। এলাকার তৃণমূল কর্মীরা তো বটেই, বিজেপি কর্মীরাও তেমনটাই মনে করছেন।

 

 

মুনমুন সেনের মতো সেলিব্রিটিকে টিকিট দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। মলয় ঘটকের মতো সিনিয়র মন্ত্রী রয়েছেন আসানসোলে। তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো পুরনো বিধায়ক রয়েছেন। সবাই নিজের নিজের মতো করে ময়দানে রয়েছেন। কিন্তু তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচার তথা ভোট ম্যানেজমেন্টের ভরকেন্দ্র যেন জিতেন্দ্রই। দিনরাত এক করে প্রচারাভিযান সামলাচ্ছেন মেয়র। মুনমুনের যাবতীয় কর্মসূচি নির্ধারিত হচ্ছে তাঁর অঙ্গুলি হেলনে। মুনমুনের মুখ্য এজেন্ট হিসেবে কলকাতা থেকে যাঁকে আসানসোলে পাঠিয়েছে তৃণমূল, সেই কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরীও ‘মেয়র সাহেবে’র উপরেই সবচেয়ে বেশি ভরসা রাখছেন, প্রায় প্রতিটা পদক্ষেপে মেয়রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলছেন কর্নেল দীপ্তাংশু।

গোটা আসানসোলেই দাপিয়ে প্রচার করছেন বাবুল। তবে ভোটের দিন পরিস্থিতি কেমন থাকবে, তা নিয়ে বিজেপির আশঙ্কা যাচ্ছে না।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর লড়াই ঠিক কতটা কঠিন তা হলে? বাবুল সুপ্রিয় বাড়িতে বসে স্থানীয় বিজেপি নেতার বিশ্লেষণ— ‘‘তৃণমূলের যিনি প্রার্থী, রাজনৈতিক ভাবে বাবুলদার সামনে তিনি দাঁড়াতেই পারবেন না। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে বা পঞ্চায়েত নির্বাচনে এখানে ভোট কী ভাবে হয়েছিল, সে তো জানেনই। একমাত্র চ্যালেঞ্জ ওটাই।’’ ভোট লুঠ রোখা গেলে বাবুল সুপ্রিয়র জয়ের ব্যবধান আগের বারের চেয়ে অনেক বেশি হবে বলে ওই বিজেপি নেতার দাবি।

মুনমুন সেনের নির্বাচনী হোর্ডিঙে সুচিত্রা সেনের ছবি এই ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কেন? প্রশ্ন তুলছেন বাবুল সুপ্রিয়।

‘‘হাওয়াই চটি পরা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধীরা ব্যঙ্গ করেন। বলেন যে, ওগুলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাটক। যাঁরা এগুলো বলেন, তাঁদের আমি বলছি, আপনারা নাটক করেই বছরের পর বছর হাওয়াই চটি পরে কাটিয়ে দিন তো। বুঝব ক্ষমতা,’’ —দুই সেলিব্রিটির মধ্যে ধুন্ধুমার লড়াই দেখতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসানসোলে হাজির হওয়া সংবাদমাধ্যমকে বলছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন একটা মানুষ, যাঁর জীবনটাকে কেউ যদি নকল করার চেষ্টা করেন, তা হলেই তিনি এক জন উন্নত মানুষ হয়ে উঠবেন।’’ বলে চলেন আসানসোলের ‘মেয়র সাহেব’। প্রার্থী মুনমুনকে নিয়ে কিন্তু তেমন কোনও কথা নেই তাঁর মুখে। কেন নেই, সেটা মুনমুন নিজেই বুঝিয়ে দিলেন কিছু ক্ষণ পরে। মেয়র যাঁদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাদামাটা জীবন যাপন নিয়ে, মুনমুন তাঁদের মুখোমুখি হয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়লেন নিজের ‘তারকা’ ভাবমূর্তি তুলে ধরার কাজে। প্রচণ্ড গরমে তাঁর কতটা সমস্যা হচ্ছে, হাঁটুর ব্যথা নিয়ে রোজ প্রচারে যাওয়া কতটা কঠিন, তারকা হিসেবে বাবুল সুপ্রিয় কেন তাঁর ধারেকাছেও আসেন না— এ সব আলোচনা অবলীলায় চালিয়ে যেতে থাকেন মুনমুন।

আসানসোলে যদি জয়ী হন, কোন কোন কাজে সবচেয়ে বেশি জোর দেবেন? মুনমুন বলেন, ‘‘পলিউশন! এখানে দূষণ খুব বেশি। সেটা কমাতেই হবে। মানুষের তো সুস্থ ভাবে বাঁচার অধিকার রয়েছে। সেটাকে আগে সুনিশ্চিত করতে হবে।’’

মুনমুন অবশ্য মায়ের ছবি ব্যবহার না করার কোনও কারণ দেখতে পাচ্ছেন না।

আরও পড়ুন: ‘বাংলায় সমান্তরাল সরকার চালাচ্ছে, বদলা নেব’, নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার

শুধু আসানসোলে নয়, প্রায় গোটা পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেই শিল্পজনিত দূষণ একটা সমস্যা। তা নিয়ে এলাকার বাসিন্দারা চিন্তিত ঠিকই। কিন্তু তার চেয়েও বেশি চিন্তিত আসানসোল-দুর্গাপুরে শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে, শিল্পের পুনরুজ্জীবন নিয়ে। আাসনসোলের হিন্দুস্তান কেবলস লিমিটেড বাঁচানোর চেষ্টায় বা দুর্গাপুরের অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট টিকিয়ে রাখার প্রক্রিয়ায় বাবুল সুপ্রিয়কে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। সে কথা বাবুল বড় মুখ করে বলছেনও। ২০০২ সাল থেকে হিন্দুস্তান কেবলস কী ভাবে রুগ্ন অবস্থায় পড়ে থেকেছে, সংস্থাটির নেওয়া ঋণের সুদের পরিমাণ কী ভাবে মূল ঋণের কয়েক গুণ হয়ে গিয়েছে— সে সব কথা বিশদে তুলে ধরছেন বাবুল। ২০০২ সালের পর থেকে একাধিক বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রে মন্ত্রী হয়েছেন, কিন্তু হিন্দুস্তান কেবলসের জন্য তিনি কী করেছেন? সেই প্রশ্নও জোর গলায় বাবুল তুলছেন। বিষয়টি নিয়ে আসানসোলে রাজনৈতিক চর্চাও চলছে। কিন্তু মুনমুন সেন সে সব থেকে অনেক দূরে। তিনি চিন্তিত মূলত আসানসোলের দূষণ নিয়েই।

আরও পড়ুন: জয়াপ্রদাকে আনারকলি বললেন আজম খানের ছেলে আবদুল্লা

শিল্পায়ন বা শিল্পের পুনরুজ্জীবন অনেক বড় বিষয়, ওগুলো সাংসদের পক্ষে সম্ভব নয়— সাফ কথা মুনমুনের। প্রচারে বেরিয়ে তাঁর মনে হয়েছে— ‘অনেকগুলো পুকুর খুব নোংরা হয়ে রয়েছে’ বা ‘অনেক জায়গায় আবর্জনা ছড়িয়ে রয়েছে’ বা ‘দুষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য চুল্লিতে যে বিশেষ যন্ত্র লাগানো দরকার, অনেক কারখানা সেগুলো লাগাচ্ছে না’। আসানসোল থেকে জিততে পারলে তিনি এই সব বিষয়ের উপরে জোর দেবেন— নববর্ষের প্রথম সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই বলছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। জিতেন্দ্র তিওয়ারি, দীপ্তাংশু চৌধুরীরা তখন মুনমুনের পাশেই বসে। নোংরা বা আবর্জনা নিয়ে প্রশ্ন তুললে আঙুলটা কি মেয়রের দিকেই উঠবে না? স্বাভাবিক ভাবেই উঠল প্রশ্নটা। মেয়রের মুচকি হাসি বুঝিয়ে দিল, প্রার্থীর দিশাহীন কথাবার্তা শুনে তিনিও এই আশঙ্কাটাই করেছিলেন। আর পরিস্থিতি হালকা করতে মুনমুন তড়িঘড়ি ফিরে গেলেন নিজের স্বভাবসিদ্ধ অন্তরঙ্গ আলাচারিতার ভঙ্গিটায়। বললেন, ‘‘না না, মেয়র সাহেবকে কেন অস্বস্তিতে ফেলছেন! আজকে নতুন বছরের প্রথম দিন, মেয়র সাহেবের পরিবারও এখানে রয়েছে। ওঁর সম্পর্কে একটু ভাল ভাল কথা বলুন।’’

মেয়র সম্পর্কে কেউ ভাল ভাল কথা বলবেন, নাকি খারাপ খারাপ, তা অবশ্য মুনমুনের অনুরোধ-উপরোধের উপরে নির্ভর করছে না আসানসোলে। এলাকার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের কাছে যতখানি প্রিয় মেয়র, গেরুয়া শিবিরে ঠিক ততটাই অপ্রিয় তিনি স্বাভাবিক কারণেই। তাই ভাল-খারাপ, দু’রকমই শোনা যায় জিতেন্দ্র সম্পর্কে। ভোটের রাজনীতিটা জিতেন্দ্র বোঝেনও অত্যন্ত ভাল। বিরাট সংখ্যক অবাঙালি ভোটার আাসনসোলে। বিজেপির কট্টর হিন্দুত্ববাদ তাঁদের মধ্যে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, সেটা ২০১৪-র নির্বাচনে বাবুলের জয়েই প্রমাণিত হয়েছিল। পরে সাম্প্রদায়িক অশান্তির জেরে শিরোনামে আসে আসানসোল। মেরুকরণের হাওয়াও অতএব যথেষ্টই বইছে রাঢ়বঙ্গের এই কেন্দ্রে। সেই হাওয়া যাতে ঝড়ে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে জিতেন্দ্র কিন্তু আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন। গত কয়েক বছরে আসানসোলে গোটা চল্লিশেক নতুন মন্দির বানিয়েছেন জিতেন্দ্র। খবর তৃণমূল সূত্রের। নরেন্দ্র মোদী যে দিন আসানসোলে সভা করবেন, সে দিনই শহরে একটি রামমন্দির জিতেন্দ্র উদ্বোধন করবেন— এমন পরিকল্পনার কথাও শোনা যাচ্ছে। কিন্তু সব শিবিরকেই কিছুটা চিন্তায় রাখছেন সিপিএম প্রার্থী গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: আপনার রিগিং রোখার চেষ্টা হতেই সমান্তরাল সরকার দেখতে পাচ্ছেন? মমতাকে তীব্র আক্রমণে 

গৌরাঙ্গ প্রাক্তন বিধায়ক। জেলা সিপিএমের সম্পাদক এখন তিনি। গোটা জেলাতেই বামপন্থীদের মধ্যে গৌরাঙ্গর জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতা যথেষ্টই। এক সময়ে বামদুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল যে আসানসোল, সেখানকার পুরনো বাম সমর্থকদের অধিকাংশই গৌরাঙ্গকে দেখে আবার সিপিএমের দিকে ঢলে পড়বেন না তো? আশঙ্কায় থাকতে হচ্ছে বিজেপিকে। কারণ আাসানসোলে বামেদের ভোটের বেশিরভাগটাই গত বার বাবুলের ঝুলিতে গিয়েছিল বলে মনে করা হয়।

গৌরাঙ্গকে নিয়ে আশঙ্কায় থাকতে হচ্ছে তৃণমূলকেও। জিতেন্দ্র তিওয়ারি যে এলাকার বিধায়ক, সেই পাণ্ডবেশ্বরেরই বিধায়ক ছিলেন গৌরাঙ্গ। পাণ্ডবেশ্বর থেকে মুনমুন সেনকে সবচেয়ে বেশি ভোটে এগিয়ে রাখতে জিতেন্দ্র তৎপর। কিন্তু সিপিএম প্রার্থী হিসেবে গৌরাঙ্গ ময়দানে নামায় পাণ্ডবেশ্বরের হিসেব গোলমাল হয়ে গিয়ে বাবুলের সুবিধা হয়ে যাবে না তো? এমন এক দুশ্চিন্তা দানা বাঁধছে জোড়াফুল শিবিরে।

গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায়ই জিতবেন আসানসোল থেকে, এমন দাবি অতি বড় বাম সমর্থকও জোর দিয়ে করতে পারছেন না। লড়াই যে মূলত বিজেপি-তৃণমূলের, তা আাসানসোলবাসীর কাছে বেশ স্পষ্ট। গৌরাঙ্গ কোন অঞ্চল থেকে কত ভোট পাচ্ছেন, তার উপরে বাবুল বা মুনমুনের হারজিতের অঙ্ক বেশ খানিকটা নির্ভর করছে বলে অনেকেই মনে করছেন।

বিজেপির প্রধান চিন্তা অবশ্য জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে নিয়েই। আসানসোলে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে তরুণ বিজেপি কর্মী বলেন, ‘‘আমরা চাই সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাক। তা হলেই আর কোনও চিন্তা নেই।’’ কেন্দ্রীয় বাহিনী সব বুথে না থাকলে কী হবে? ‘‘না থাকলে জিতেন্দ্র তিওয়ারির ভোট মেশিনারি কী খেল দেখাবে বুঝতে পারছেন না?’’ পাল্টা প্রশ্ন করছেন বিজেপি কর্মী। আসানসোল বার বার বুঝিয়ে দিচ্ছে, আসল লড়াইটা বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে জিতেন্দ্র তিওয়ারির।

—নিজস্ব চিত্র।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত