পাঁচ বছরের তদন্তে সিবিআই সেবি এবং আরবিআই-এর কত জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে? বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের শুনানিতে রীতিমতো আক্রমণাত্মক কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের আইনজীবী মিলন মুখোপাধ্যায়।

বুধবার থেকে সিবিআই বনাম রাজীব মামলায় প্রতি দিন শুনানি শুরু হয়। বিচারপতি মধুমিতা মিত্রের এজলাসে শুনানির প্রথম দিনই মিলনবাবু বলেন, রাজ্য সরকারের বিশেষ তদন্তকারী দল এবং বিধাননগর কমিশনারেট সারদা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছে, বহু সেবি, আরবিআই আধিকারিক সারদা গোষ্ঠীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে বেআইনি সুযোগ পাইয়ে দিয়েছেন। আদালতকে তিনি জানান, সেই আধিকারিকদের নাম সিবিআইকে জানানো হয়েছে। মিলনবাবু প্রশ্ন করেন, ‘‘কেন এক জনও সেবি অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?”

এ দিন মিলনবাবু বলেন, ‘‘রাজীব কুমার শুধু এক জন আইপিএস আধিকারিক নন। তিনি কলকাতা পুলিশের কমিশনার ছিলেন। বার বার সিবিআই তাঁকে তলব করায় তাঁর সম্মানহানি হচ্ছিল।” এ দিন রাজীব কুমারের আইনজীবী আদালতকে জানান, রাজীব কুমার রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক, অতিরিক্ত মহানির্দেশক (সিআইডি)-এর তত্ত্বাবধানে কাজ করেছেন। তিনি জানান, রাজ্য সরকার গঠিত সিট-এ ছিলেন ১২১ জন আধিকারিক। মিলনবাবুর প্রশ্ন, তাঁদের সবাইকে ছেড়ে কেন বার বার রাজীব কুমারকেই টার্গেট করছে সিবিআই?

আরও পড়ুন: বৈঠক হয়ে গিয়েছে রামলালের সঙ্গে, শোভন বিজেপির পথেই, স্পষ্ট ইঙ্গিত ঘনিষ্ঠদের

তবে এ দিন সিটের অঙ্গ হিসাবে যে রাজীব কুমারের নেতৃত্বে বিধাননগর কমিশনারেট সারদা মামলায় তদন্ত করেছিল তা আদালতে স্বীকার করে নেন তাঁর আইনজীবী। বৃহস্পতিবার ফের ওই মামলার শুনানি।

আরও পড়ুন: শাসকের প্রশ্রয়ে ঘটেছে বনগাঁ পুরসভার ঘটনা, হাইকোর্টে বিচারপতির মন্তব্যে ভর্ৎসনার সুর